আই অ্যাম অ্যা ফিউজিটিভ ফ্রম অ্যা চেইন গ্যাং: ত্রিশের দশকের আমেরিকার সামাজিক দলিল

লেরয়ের এই সিনেমা মূলত চরিত্রনির্ভর ড্রামা। কিন্তু জেল ভেঙে পালানো, জেলের ভেতরের অবর্ণনীয় কঠিন অবস্থা, নির্দোষীর নির্দোষ প্রমাণের ব্যর্থতা ও সংগ্রাম- সবকিছুই এতে আছে, যা প্রিজন ফিল্ম জনরার উপাদান/অলংকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এসেছে। বলা যায়, জনরার অনেক রূপরেখাকেই বিস্ময়কর দক্ষতার সাথে ‘রূপরেখা’ হিসেবে প্রণয়ন করেছে এই সিনেমা।

article

লিটল সিজার: ইতিহাসের প্রথম গ্যাংস্টারধর্মী সিনেমা এবং মার্ভিন লেরয়ের সেরা ৫ (পর্ব ২)

নিউজিল্যান্ডের সাংবাদিক ডেভিড ফ্যারিয়ার, জীবনের অদ্ভুত ব্যাপারগুলো তাকে বরাবরই খুব বেশি টানে। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ডার্ক ট্যুরিস্ট হবার। কোনো চমৎকার সৈকত কিংবা মনোরম রিসোর্টে নয়; বরং মৃত্যু, বিষাদগ্রস্ত ঘটনাবলী জড়িত আছে এমন জায়গাগুলোতেই তার ভ্রমণ।

article

ডার্ক প্লেসেস: অন্তর্ভেদী এক আমেরিকান উপন্যাস

ফ্লিন কিন্তু আরো একটি উপন্যাস লিখেছেন। ‘ডার্ক প্লেসেস’ নামে। সিনেমাও হয়েছে। তবে সেটা সুখকর কিছু হয়নি বিধায়, নামটি চাপা পড়ে গেছে। বলে রাখা ভালো, সাহিত্যের পাশাপাশি তিনি সিনেমার চিত্রনাট্যও লিখেছেন। ‘গন গার্ল’-এর সিনেমাটিক সংযোজনের চিত্রনাট্য তারই লেখা। স্টিভ ম্যাককুইনের ‘উইডোস’-এরও সহকারী চিত্রনাট্যকার ছিলেন।

article

End of Articles

No More Articles to Load