ডাডাবাদ: সবরকম নিয়মের বাইরে দাঁড়ানোও একটা নিয়ম, এটিই শ্রেষ্ঠ নিয়ম

ডাডাবাদের কবিতা হবে এলোমেলো, যা যে কেউ লিখতে পারেন। এক খণ্ড খবরের কাগজকে টুকরো টুকরো করে এর প্রতিটি শব্দকে কেটে আলাদা করুন। এরপর কাটা শব্দগুলোকে একটা পাত্রে নিয়ে ভালো করে ঝাঁকুন, শব্দগুলোকে নিয়ে একের পর এক বসান, কবিতার আদলে সাজান। যা হবে, তা-ই ডাডাবাদী কবিতা। ডাডার কোলাজগুলো দেখতে অনেকটা এখনকার ফটোশপের মতো লাগে। ডাইমেনশন বদলে দেয়, দেখতে কোনোরকম অর্থ প্রকাশ করে না, অ্যাবসার্ড লাগে। জ্যামিতিক, মেকানিকাল, আর্কিটেকচারাল এমন কোনো খাত নেই যেখানে ডাডা প্রবেশ করেনি, সবখানে ডাডার ধবংসযজ্ঞ চোখে পড়ার মতো। ডাডাবাদীরা বলেন,

article

ইউটোপিয়া কিংবা স্বপ্নালোকের গল্প

সমাজতান্ত্রিক, পুঁজিবাদী, রাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, নৈরাজ্যবাদী, বাস্তুবাদী, নারীবাদী, পিতৃতান্ত্রিক, সাম্যবাদী, শ্রেণিবদ্ধ, বর্ণবাদী, বামপন্থী, ডানপন্থী, সংস্কারবাদী, মুক্ত প্রেম, পারমাণবিক, বর্ধিত পরিবার, সমকামী এবং আরও অনেক ইউটোপিয়ান ধারণা রয়েছে। প্রত্যেকে নিজের কল্প স্বর্গবাদ নিয়ে অনেক যুক্তি দেন, মানব অবস্থার উন্নতির জন্য যা নাকি অপরিহার্য এবং প্রতিটি আদর্শবাদী নিজেদের ইশতেহারে নিজেদের ঠিক দাবি করেন, বাকি প্রত্যেককে ভুল এবং অস্তিত্বহীন দাবি করেন না বৈকি। যদি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়, তবে এটি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যা আবার ভিন্ন একটি ধারা। এর নাম ডিস্টোপিয়া। আজও তাই সুরাহা হয় না, সবার সহাবস্থানে একটি আদর্শ রাষ্ট্র সম্ভব কি না! 

article

End of Articles

No More Articles to Load