৪৫০ বছর পুরনো পানাম নগর

চারিদিকে নিস্তব্ধতা, মৃত নগরীর পথে দু-একটা মানুষ। মৃত কোলাহল আর অব্যক্ত ইতিহাস যেন জড়িয়ে আছে এ নগরীর প্রতিটি ইটে। পথের দু’ধারে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে থাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন আর কাঠামোগুলো যেন হারানো জৌলুসের কথা জানান দিচ্ছে। প্রায় ৪৫০ বছর আগে এ নগরী কতটা সমৃদ্ধ ছিলো, তা বারবার ভাবতে বাধ্য করে রাস্তার দু’পাশের দু’তল-ত্রিতল ভবনগুলো। পানাম নগরের পথে হাঁটতে হাঁটতে মনে হতেই পারে, ঈশা খাঁর আমলে চলে গেছেন। কেমন যেন একটা রহস্য জড়িয়ে আছে জায়গাটিতে। প্রতিটি ধ্বংসস্তুপে যেন জড়িয়ে আছে একেকটা কাহিনী। যদিও ধ্বংসস্তুপ বলছি, তবুও এর আকর্ষণের নেই কমতি। ভবনগুলোর নির্মাণশৈলী দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না।

article

ল্যুভরে বিশ্বখ্যাত কিছু শিল্পকর্ম ও দর্শনীয় বস্তু – ১ম পর্ব

ল্যুভর এক দিনে ঘুরে দেখা সম্ভব নয়। এক হিসেবে দেখা গেছে জাদুঘরে থাকা প্রতিটি বস্তু যদি ৩০ সেকেন্ড করে দেখেন তাহলে পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখতে ১০০টি পূর্ণ দিন লাগবে। নেপোলিয়ান এর সময়ে লুভরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং তিনি পরাজিত হওয়ার পর পাঁচ হাজারেরও বেশি লুট করে আনা বস্তু (প্রদর্শিত) তার প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তবে পাঁচ হাজারেরও বেশি বস্তু জাদুঘর থেকে চলে গেছে বলে যে প্রদশর্নীর বস্তু কম পড়েছে ব্যাপারটা মোটেই তেমন নয় বরং ল্যুভরে বর্তমানে ৩৮০,০০০ বেশি বস্তু রয়েছে প্রদশর্নীর জন্য। ল্যুভর এত বড় আর এত হাজার বস্তু সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে যে কোনটি ছেড়ে কোনটি দেখবেন আর কোন দিকেই বা যাবেন . . .

article

ল্যুভর: দুর্গ থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আর্ট মিউজিয়াম হয়ে ওঠা

অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারণা কাজ করে যে ল্যুভরকে জাদুঘর করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিলো। ফরাসি বিপ্লবের সময় চতুর্দশ লুইস ও তার স্ত্রীকে টুইলারিস প্রাসাদে কারারুদ্ধ করা হয় এবং ১৭৯৩ সালে সেইখানেই তাদের শিরোচ্ছেদ করা হয়। টুইলারিস প্রাসাদটি ছিলো ল্যুভর সংলগ্ন। ফরাসি লেখক ও দার্শনিক ডেনি ডিডোরো (Denis Diderot) তাদের মধ্যে একজন ছিলেন যারা প্রথম জাতীয় পর্যায়ের একটি জাদুঘরের দাবি তুলেছিলেন।

article

৩৬০ আউলিয়ার দেশে ঘোরাঘুরি (শেষ পর্ব)

পাহাড়ের গা বেয়ে নামছে ঝর্না। একটা নয় বরং একটার পর একটা। যারা আগে ঝর্না দেখেননি তারা অবশ্যই এ দৃশ্য দেখে রোমাঞ্চিত হবেন। সম্পূর্ণ সবুজে ঘেরা পাহাড়ের গা বেয়ে সাদা পানির অথৈ ধারা নামছে। দেখে মনে হবে যেন বাংলাদেশ নয় নিউজিল্যান্ডে আছেন আপনি। তবে এ দৃশ্য যে সব সময় দেখা যাবে তা নয়। ঝর্না দেখতে হলে আসতে হবে বর্ষাকালে। দেশে, শুধুমাত্র এখানেই মেগালিথিক মনুমেন্ট রযেছে। মুহূর্তের জন্য আপনার মনে হতে পারে কোনো খালে নয় বরং সুইমিংপুলে আছেন। এখানকার সবুজাভ নীল স্বচ্ছ পানি আপনাকে মুগ্ধ করবে।

article

৩৬০ আউলিয়ার দেশে ভ্রমণের বাকি ইতিবৃত্ত

আগের পর্বের পর …
সিলেটে গিয়ে চা বাগান দেখবেন না তা কি হয়? হয়তো ভাবছেন চা বাগান দেখতে তো শ্রীমঙ্গল যেতে হবে। একটু বোধহয় ভুল হচ্ছে, শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা চাষ হলেও দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানটি কিন্তু সিলেটে। হযরত শাহ পরাণ (র:) এর মাজার অবস্থিত খাদিম নগরে। রাতারগুল সম্পর্কে নতুন করে তেমন বলার কিছু নেই। বর্ষা আর শীতে এখানের রূপ থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।বিছানাকন্দির পথে দূর থেকে যে মেঘগুলো দেখা যাবে, কাছে গেলে সেগুলো হয়ে যাবে পাহাড়। আপনি মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখবেন ধুয়োগুলো এখানে কেমন মেঘের মত দেখায় আর মেঘগুলো তুষারের মত! পান্থুমাই গ্রামটি দেখার মত তবে পর্যটকরা যায় মূলত ঝর্না দেখতে। ঝর্নাটি মেঘালয়ে পাহাড় থেকে লেকে পতিত হয়।

article

৩৬০ আউলিয়ার দেশে ঘোরাঘুরি

যারা পাহাড়-ঝর্ণা, খাল-বিল ঘুরতে ভালোবাসেন তাঁরা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির পর যে নামটি বলে থাকেন সেটি, সিলেট। পার্বত্য জেলা তিনটি থেকে সিলেট যেদিক থেকে আলাদা তা হলো, এখানে রয়েছে প্রচুর খাল-বিল ও হাওড়-বাওড়। সিলেটের যে জিনিসটি দেশের অন্য যে কোনো জেলার সাথে তুলনা করার মত নয় সেটি হচ্ছে এখানকার চা বাগান। এক সময়ে আসামের সাথে যুক্ত সিলেট বাংলাদেশের হয়ে গেলেও এখানকার চা বাগানগুলো কিন্তু হারিয়ে যায়নি। আর সিলেট শহরটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ঐতিহাসিক স্থাপনা।

article

দ্য হাউন্ড অব বাস্কারভিলস: কল্পনা, বাস্তবতা আর কিংবদন্তীর এক রহস্যময় দ্বন্দ্ব

যদিও এটি পুরনো একটি উপন্যাস, শার্লক হোমস চরিত্রটির প্রতি পাঠকের ‍আকর্ষণ হয়তো কখনোই কমবে না।…

article

End of Articles

No More Articles to Load