খাবারের অপচয়: বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় একটি সমস্যা

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অক্সিজেনের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খাবার। সেই প্রাচীনকাল থেকেই এক মুঠো খাবারের আশায় সকাল থেকে সন্ধ্যা কাজ করে অসংখ্য মানুষ। তবে অর্থনীতি আর সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে খাবারের ধরণেরও পরিবর্তন এসেছে। আগে দরকারের বাইরে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত খাবার কথা চিন্তাই করত না অথচ আজকাল প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষই রেস্টুরেন্টে খাবার খায়। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি রেস্টুরেন্টের বদৌলতে নানান দেশের নানান স্বাদের খাবারও আজকাল খাবার সুযোগ মিলছে। কিন্তু এসবের সাথে যুক্ত হয়েছে খাবার নষ্ট আর অপচয় হওয়া। অথচ বিশ্বে প্রতিনিয়ত বাড়ছে খাবারের চাহিদা, প্রচুর খাবার নষ্ট হবার পরেও অভুক্ত থেকে যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

article

অগ্নি নির্বাপনের জন্য আপনি কি প্রস্তুত?

আমাদের দৈন্দদিন জীবনে পানির মতোই অত্যন্ত দরকারি একটি উপাদান হলো আগুন। রান্না থেকে শুরু করে শিল্প কারখানা সব জায়গাতেই নানাভাবে ব্যবহার হয় আগুন। আধুনিক রসায়নের আগে মানুষ আগুনকে একটি মৌলিক উপাদান হিসেবেই বিবেচনা করত। অথচ এই দরকারি আগুনই কখনো কখনো হয়ে ওঠে জীবন হন্তারক। ধনী-গরিব, ছোট-বড়, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সব কিছু এক নিমিষে শেষ করে দেয় এই আগুন। অথচ সামান্য সাবধানতা অবলম্বন করলে আর অর্থের লোভ ছাড়তে পারলেই আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা পেতে পারে অনেক জীবন আর সম্পদ। ফায়ার সেফটি বা অগ্নি নির্বাপন সতর্কতা নিয়েই পাঠকদের সচেতন করার জন্য এই লেখাটি।

article

সুভাষ মুখোপাধ্যায়: অভিমানী এক বিজ্ঞানীর গল্প

১৯ জুন, ১৯৮১। স্কুল শেষে বাসায় ফিরছিলেন শিক্ষিকা নমিতা মুখোপাধ্যায়। কলকাতার দক্ষিণ অ্যাভিনিউয়ে ছয় তলার এক ফ্লাটে ডাক্তার স্বামীর সাথে থাকতেন তিনি। পেশাগত কারণে তার স্বামী বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। কিন্তু বাসায় ঢোকার সাথে সাথে নমিতা যা দেখলেন তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না।

article

আংকেল টমস কেবিন কি আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সূচনা করেছিল?

১৮৬০ সালে ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আব্রাহাম লিংকনকে মুখোমুখি হতে হয় এমন এক সংকটের যার সামনে পড়তে হয়নি তার আগে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে: গৃহযুদ্ধ। সেই সময়ে আমেরিকার রাজ্যগুলোর সাথে কেন্দ্রের বেশ কিছু ব্যাপার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল কিন্তু দাস প্রথা নিয়ে উত্তরের রাজ্যগুলোর সাথে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর বিভেদ ছিল দিন আর রাতের মতো পরিষ্কার। কৃষ্ণাঙ্গদের দাস হিসেবে রাখা না রাখার কেন্দ্রীয় আইন কেন্দ্র ও উত্তরের রাজ্যগুলোর সাথে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর বিবাদকেই গৃহযুদ্ধ শুরুর প্রধান কারণ হিসেবে বলে থাকেন অনেক ঐতিহাসিক। ১৮৫২ সালে প্রকাশিত ‘আংকেল টমস কেবিন’ যখন প্রকাশিত হয় তখনো আমেরিকায় দাসপ্রথাবিরোধী মনোভাব ছিল খুবই কম। কিন্তু খুব দ্রুতই বইটি জনপ্রিয়তা পায় আর মানুষজন সচেতন হয়ে ওঠে দাসদের ব্যাপারে। কিন্তু আমেরিকার দক্ষিণের রাজ্যগুলো ছিল পুরোপুরি মাত্রায় দাসনির্ভর। ফলে দাসপ্রথাবিরোধী মনোভাব তাদের নাড়া দিতে পারেইনি, উল্টো পুরো দেশকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়। তবে কি এই একটি বই দায়ি ছিল চার বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের জন্য?

article

আলেক্সজান্ডার দ্য গ্রেটের মৃতদেহ: রাজনীতির ঘুঁটি থেকে হারিয়ে যাওয়ার ইতিহাস

জুন ১১, খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ সাল। ব্যাবিলনে মারা যান আলেক্সজান্ডার দ্য গ্রেট। মৃতদেহ কোথায় সমাহিত করা হবে এ সেটা ঠিক করতে না পারায় প্রায় দুই বছর ব্যাবিলনেই রাখা হয় আলেক্সজান্ডারের মৃতদেহ। আলেক্সজান্ডারের প্রধান সেনাপতি পারডিকাসের নির্দেশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মেসোডোনিয়ার অ্যাগাইতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলেক্সজান্ডার মৃতদেহ মেসোডিনিয়াতে পৌঁছায়নি কখনোই, বরং এক পর্যায়ে আলেক্সজান্ডারের মৃতদেহ হারিয়ে যায় ইতিহাস থেকেই! চলুন জেনে নেয়া যাক আলেক্সজান্ডারের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহ নিয়ে চলা রাজনীতি আর সেই রাজনীতির শিকার হয়েই হারিয়া যাওয়ার গল্প।

article

কিম হুইন হুই: এক গুপ্তচরের নাটকীয় জীবনের গল্প

২৯ নভেম্বর, ১৯৮৭। ইরাক থেকে আবুধাবি হয়ে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার পথে কোরিয়ান এয়ার ফ্লাইট ৮৫৮ থাইল্যান্ডের ব্যাংককে দ্বিতীয় যাত্রাবিরতির জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। যাত্রীদের বেশিরভাগই ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করা দক্ষিণ কোরিয়ান নাগরিক। পাইলটরা ব্যাংকক বিমানবন্দরে জানায় তারা সময় মতই পৌঁছাবে। কিন্তু আন্দামান সাগরের উপরে অবস্থান করার সময় ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, যার ফলে আকাশেই বিধ্বস্ত হয় কোরিয়ান এয়ারের বোয়িং ৭০৭ মডেলের বিমানটি। ঠিক একই দিনে বাহরাইনে একজন বয়স্ক লোক ও একজন তরুণী ধরা পড়েন নকল জাপানি পাসপোর্টসহ। ধরা পরার সাথে সাথেই বয়স্ক লোকটি নিজের সাথে রাখা সায়ানাইড পিল খেয়ে আত্মহত্যা করে। তার সাথে থাকা তরুণীও একইভাবে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলেও নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে আটকে দেয়। ২৫ বছর বয়স্ক সেদিনের তরুণীর নাম ছিল কিম- হুইন হুই, যার গল্প হার মানিয়ে দিবে যে কোনো সিনেমার গল্পকেও। ধরার পড়ার গল্প জানার আগে চলুন পেছন ফিরে দেখা যাক হুইয়ের আগের জীবন।

article

IELTS- প্রস্তুতি ও পরামর্শ

বিদেশে পড়াশোনা কিংবা স্থায়ী বসবাসের জন্য যেতে হলে প্রায় বেশিরভাগ দেশেই ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়। আর এই দক্ষতা প্রমাণের জন্য রয়েছে IELTS, TOEFL, PTE এর মতো বিভিন্ন পরীক্ষা। তবে এসব পরীক্ষার মধ্যে ১৯৮৯ সালে চালু হওয়া IELTS সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, কেননা বর্তমানে প্রায় প্রতিটি দেশই IELTS স্কোর গ্রহণ করে। কানাডা বা অস্ট্রেলিয়াতে স্থায়ী বসবাসের (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) জন্য আবেদন করতে হলে IELTS দেয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ছোট বেলা থেকেই ইংরেজির প্রতি আমাদের একটা ভয় কাজ করায় IELTS এর প্রতিও অনেকের ভয় কাজ করে। IELTS এর মতো পরীক্ষাগুলোর আরেকটি সুবিধাজনক দিক হচ্ছে এই পরীক্ষাগুলোতে কোনো পাশ-ফেল নেই। IELTS আপনাকে যে স্কোর দিবে সেটা আপনার ইংরেজির দক্ষতা কতটুকু সেটি নির্দেশ করে। IELTS-এ কিভাবে ভালো স্কোর করা যায়, সেটি নিয়েই এই লেখাটি।

article

ধনীদের পড়াশোনা দৌড় কতদূর?

প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের পরে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠার পর অনেককেই বলতে শোনা যায়, “আরে এতো পড়াশোনা করে কি হবে! বিল গেটস তো বেশি শিক্ষিত না, গ্রাজুয়েশনই করেনি”। শুধু বিল গেটস নয়, এর সাথে ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গের কথাও অনেকেই বলে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পড়াশোনা না করেই তারা আজ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু ধনী ব্যক্তি তো শুধু এই দুইজনই নয়, আরো রয়েছেন। তারাও কি গেটস বা জাকারবার্গের মতো মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বড়লোক হয়েছেন? গেটস আর জাকারবার্গের শিক্ষা জীবনের রেকর্ডই বা কেমন ছিল? চলুন, দেখে নেয়া যাক, বিল গেটস, জাকারবার্গসহ অন্যান্য বিলিনিয়দের ছাত্রজীবনের কথা।

article

সেলুলোজ: প্রকৃতির এক অনন্য উপহার

মানুষের ইতিহাসের প্রায় পুরো সময়টিতেই মানুষ সব কিছুর জন্য প্রকৃতির উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু শিল্প বিপ্লবের পর প্রকৃতির পাশাপাশি মানুষ নিজের বুদ্ধিমত্তার জোরে কৃত্রিম উপায়েও অনেক প্রয়োজন মিটিয়ে ফেলতে শুরু করে। তবে শিল্প বিল্পব কৃত্রিম উপায়ে প্রয়োজন মেটাবার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের মতো সমস্যাও তৈরি করে। ফলে একটি পর্যায়ে বিজ্ঞানীরা আবারো প্রকৃতি থেকেই মানুষের প্রয়োজন মেটাবার তাগিদ অনুভব করেন। আর প্রকৃতিতে যে উপাদানটি সবচেয়ে সহজে পাওয়া যায় সেটি হচ্ছে সেলুলোজ। উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান হচ্ছে সেলুলোজ। ফলে গাছে কান্ড, পাতা, বাকল, ফুল, ফলের ছাল- সবকিছুতেই সেলুলোজ পাওয়া যায়। উদ্ভিদভেদে সেলুলোজের প্রাপ্যতা কম বেশি হতে পারে কিন্তু যেখানেই গাছ, সেখানেই সেলুলোজ। ফলে বর্তমানে সেলুলোজ বর্তমানে গবেষণাখাতের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে।

article

যে দুর্ভাগ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল টাইটানিক

আধুনিক প্রযুক্তি টাইটানিকের ব্যাপারে অনেক অজানা তথ্য তুলে ধরেছে, যেগুলো প্রমাণ করে ১৯১২ সালের ভয়ংকর রাত্রে টাইটানিকের মর্মান্তিক ঘটনাটি না ঘটলেও টাইটানিকের ভাগ্য লেখা হয়েছিল এর নির্মাণের সময়েই।

article

পারমাণবিক হামলার শেষ পরিণতি কী হতে পারে?

হিরোশিমা আর নাগাসাকির বোমা দু’টি ছিল একেবারে প্রথম জেনারেশনের। এতোদিনে অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্রের সাথে পারমাণবিক বোমারও যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। কিন্তু হঠাৎ করে যদি কেউ পারমাণবিক হামলা চালায় তাহলে কি হবে পৃথিবীর পরিণতি?

article

গ্র্যাভিটি হিল: অতিপ্রাকৃত নাকি স্বাভাবিক?

আপনাকে যদি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আপনি দেখবেন আপনার চিরচেনা মাধ্যাকর্ষণ ঠিকভাবে কাজ করছে না, তাহলে কেমন লাগবে? নিজের চোখকে অবিশ্বাস করবেন, নাকি জাদুর প্রভাব মনে করবেন?

article

End of Articles

No More Articles to Load