হিংস্র নেকড়ে থেকে গৃহপালিত কুকুর হয়ে ওঠার গল্প

বিড়ালের পর গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে কুকুর। মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু হিসেবে হাজার বছর ধরে এর সুনাম রয়েছে। মানব সভ্যতার শুরু থেকে মানুষের শিকার, কৃষিকাজ, ভ্রমণ, জীবন ধারণ, বিনোদন, উপাসনা এমনকি মৃত্যুর সময়ও একমাত্র যে প্রাণীকে মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি পাওয়া গেছে তা হল কুকুর।  তবে এই প্রাণী হাজার বছর আগে এমন ছিল না। বর্তমান কুকুরদের দেখলে কে বলবে যে তাদের পূর্বপুরুষদের হিংস্র মাংস খাদক হিসেবে সুনামও ছিল। কারণ আজকের মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু হাজার বছর আগে ছিল মানুষের বসতি নির্মাণের প্রধান শত্রু হিংস্র নেকড়ে, যারা মোটেই কোন নিরীহ বন্ধু সুলভ প্রাণী ছিল না।

article

মরিচ যেভাবে ছড়িয়ে পড়লো সমগ্র বিশ্বে

আমরা প্রতিদিন মরিচ খাই এবং জিনিসটা আমাদের কাছে খুবই সাধারণ। কিন্তু এই সাধারণ, সহজলভ্য জিনিসটার রয়েছে এক অসাধারণ ইতিহাস। আজ প্রত্যেক মানুষের রান্না ঘরে যেই মরিচ পাওয়া যায় তা এক সময় পুরো দেশে এমনকি পাঁচ মহাদেশের মাত্র এক মহাদেশে পাওয়া যেত। এবং মজার বিষয় হচ্ছে বাকি পৃথিবীর প্রায় কেউই এটি সম্পর্কে জানতো না। এশিয়া এবং ইউরোপের অনেক দেশই দাবি করে মরিচের উৎপত্তি তাঁদের দেশে। এক্ষেত্রে চায়না আর ইন্ডিয়ার জনগণ সবার আগে। তবে মজার ব্যাপার হল মরিচের উৎপত্তি এশিয়া ইউরোপ দূরে থাক আফ্রিকাতেও নয়। গবেষক আর ঐতিহাসিকগণ একমত যে মরিচের উৎপত্তি সুদূর আমেরিকা মহাদেশে।

article

বিশ্বের অবাক করা কিছু পাথুরে গঠন

পৃথিবী জুড়ে মানবসভ্যতার ইতিহাসে পাথরকে সবসময় পবিত্র এবং বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন মনে করা হয়। মানুষ পাথরকে ঈশ্বরের উপাসনালয় তৈরি থেকে শুরু করে মৃতদেহের পরকালে যাত্রার পিরামিড সবকিছুতে ব্যবহার করেছে। এমনকি রত্নপাথরের মাধ্যমে নিজের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে ভাগ্য পরিবর্তনেরও চেষ্টা করেছে। বর্তমান সময়ে সারা দুনিয়ায় পাথরের তৈরি নানান স্থাপনা দেখা যায়, যা মানুষের নজর কাড়ে। তবে প্রকৃতিও মাঝে মাঝে এমন কিছু পাথরের আকৃতি তৈরি করে, যা সবকিছুকেই হার মানায়।

article

জার বোমা: সকল বোমার সেরা বোমা

পারমাণবিক অস্ত্রের নাম শুনলে প্রথমেই আমাদের মাথায় আসে হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে ফেলা ‘লিটল বয়’ আর ‘ফ্যাট ম্যানের’ নাম। তবে এর থেকেও অনেক বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্র মানুষ তৈরি করেছে। এরকমই একটা বোমার নাম ‘জার’ বোমা যার বিধ্বংসী ক্ষমতার সাথে কোন বোমারই তুলনা হয়না।

article

হিমালয়ের রহস্যময় ‘পাগলা মধু’

জেনোফোন তার বিখ্যাত আনাবিস গ্রন্থে এক গ্রিক সেনাদলের উল্লেখ করেছেন, যারা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে এরকম এক মধু পান করে অসুস্থ হয়ে যায়, আবার কয়েক ঘণ্টা পর সুস্থও হয়ে ওঠে। মাঝের এই সময়টিতে তারা যেন প্রবল ঘোরের মধ্যে ছিল। ফলে সেনাদল এটিকে কোনো জাদুকরী মধু ভেবেছিল।

article

সাইবেরিয়ার ‘জীবন্ত যীশু’ ভিসারিয়ন

ভিসারিয়নের অনুসারীরা সাদামাটা জীবনযাপন করলেও ভিসারিয়ন নিজে বিলাসবহুল জীবন কাটান। তার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন বাড়ি রয়েছে। এছাড়া তিনি মাঝে মাঝেই দেশে বিদেশে ‘আধ্যাত্মিক’ দর্শনে বের হন। তার আয়-ব্যয়ের হিসাব একমাত্র তার কাছের অনুসারীরা জানেন তাই এ বিষয়ে তদন্ত করা সম্ভব হয় না।

article

ক্যাফে রেসার: এক যুগান্তকারী বাইক বিপ্লবের সূচনা

মোটর সাইকেল আজ শুধু সহজে যাতায়াতের মাধ্যম নয়। এটি হয়ে উঠেছে নতুন নতুন ট্রেন্ড আর ফ্যাশনের অংশ। মোটর সাইকেলকে প্রথম ফ্যাশন ট্রেন্ডের মধ্যে নিয়ে আসা হয় ষাটের দশকে। তারপর থেকে বাইকের স্টাইলের পরিবর্তন হয়েই চলেছে। তবে বর্তমানে সেই পুরনো রেট্রো বাইক আবারও মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে যার নাম ক্যাফে রেসার।

article

রয়্যাল এনফিল্ড: মোটর সাইকেলের বিশ্বজয়ের গল্প

রয়্যাল এনফিল্ড এমনই এক বাইক কোম্পানি যার রয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি। ব্রিটেনে জন্ম নেওয়া এই বাইক কোম্পানি প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখায় খুব দ্রুতই এর প্রসার ঘটতে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডে রয়্যাল এনফিল্ডের বাইক বিক্রি অনেক বৃদ্ধি পায়। ভারত স্বাধীন হলে তার বিশাল সীমানা পাহারা দিতে রয়্যাল এনফিল্ড বাইককেই বেছে নেয়। ১৯৬২ সালের পর থেকে ভারতেই বাইকের সকল যন্ত্রাংশ তৈরি হওয়া শুরু হয়। আজ ভারত সহ সারা বিশ্বেই এই বাইকের চাহিদা আকাশছোঁয়া।

article

ব্রাউন মাউন্টেইন লাইটস: যে আলো মানুষ অপহরণ করে!

রাতের আকাশে খসে পড়া তারা দেখে আমরা সবাই আনন্দ পাই। কিন্তু তারার মত দেখতে আকাশের সব বস্তুই আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করেনা। কিছু তারা ভীতিরও সৃষ্টি করে। আমেরিকার ব্রাউন মাউন্টেইনে এরকম খসে পড়া তারার মত দেখতে কিছু আলোর বল কয়েকশ বছর ধরে মানুষের নিখোঁজের কারন বলে বিবেচিত হয়ে আসছে। মানুষ বিভিন্নরকম মতবাদ দিলেও সমাধান হয়নি এই রহস্যের।

article

বাল্টিক সাগরতলের অমীমাংসিত এক রহস্য

বিশ্ব জুড়ে মানুষ বিভিন্ন মতবাদ দিলেও বাল্টিক সাগরের এই রহস্যের সমাধান এখনও হয়নি। নৌ বাহিনীও এ নিয়ে কোনো কথা বলেনি। কেটে গেছে বহু বছর। ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে এই ব্যাপারে।

article

অমীমাংসিত রহস্যের ডেভিলস টাওয়ার

স্থানীয় নেটিভ আমেরিকানদের কাছে এই জায়গাটি অনেক পবিত্র এবং ধর্মীও অনেক আচার অনুষ্ঠান তারা এখানে সম্পন্ন করত। তাদের মতে, Kiowa এবং Lakota গোত্রের মেয়েরা একদিন ব্ল্যাক হিল অঞ্চলে খেলছিল। হটাৎ তারা সেখানে কয়েকটি দৈত্যাকার ভাল্লুক দেখতে পায়। দেখামাত্র ভাল্লুকগুলো মেয়েদের তাড়া করা শুরু করে। মেয়েরা প্রাণের ভয়ে ছুটতে থাকে।

article

খরগোশের দ্বীপ: ওকুনোশিমা

ওকুনোশিমা দ্বীপে কিভাবে এত খরগোশ এলো এটা নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত আছে। সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য মতবাদটি হল খরগোশগুলোর পূর্বপুরুষ গ্যাস কারখানায় গবেষণায় ব্যবহৃত খরগোশ। তখনকার সময়ে ইদুর এবং খরগোশের উপর বিষাক্ত গ্যাসের প্রয়োগ করা হত। অনেক সময় ঘোড়ার উপরও প্রয়োগ চালান হত। যখন মিত্রবাহিনী দ্বীপের দখল নেয় তখন খরগোশ গুলোকে দ্বীপে ছেড়ে দেয়। আবার অনেকে বলে যে খরগোশগুলো কারখানা বন্ধ হওয়ার পর দ্বীপের ভেতরে পালিয়ে যায়। সেই পালিয়ে যাওয়া খরগোশ থেকেই আজ দ্বীপ ভর্তি খরগোশ।

article

End of Articles

No More Articles to Load