ধর্মের উৎপত্তি সংক্রান্ত সামাজিক তত্ত্বগুলোর পারস্পরিক তুলনা

(পূর্বের লেখা- ধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় কতিপয় সামাজিক তত্ত্ব)

ধর্মের উৎপত্তিগত সামাজিক তত্ত্বগুলোর একেকটির একেকরকম স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। তত্ত্বগুলোর কোনোটিই পর্যালোচনা বা সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। তত্ত্বগুলো নিজেদের মধ্যে তুলনা করলে বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যাবে।

সর্বপ্রাণবাদ মহাপ্রাণবাদের তুলনা

সর্বপ্রাণবাদ ও মহাপ্রাণবাদ দুটোই ধর্মের উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রাচীন বিশ্বাস ও রীতি-নীতিকে প্রকাশ করে। দুটো তত্ত্বের মাঝেই রীতিগত জায়গায় কিছুটা মিল লক্ষণীয়। একটি ছকের মাধ্যমে দুটো মতবাদের বৈশিষ্ট্যাবলীর আলোকে মিল-অমিলগত একটি তুলনা তুলে ধরা হল-

বৈশিষ্ট্য

মহাপ্রাণবাদ

সর্বপ্রাণবাদ

সংজ্ঞা

ব্যক্তিসত্তাহীন এমন একটি শক্তিতে বিশ্বাস যেটি সকল জীবন্ত ও জড় পদার্থে বিদ্যমান এবং যার উপস্থিতিতে কেউ অসাধ্য সাধন করতে সক্ষম হয়।

সকল ইতর প্রাণী, উদ্ভিদ, নদী-সাগর, বজ্রপাত, স্থান, পদার্থ এমনকি শব্দেও একটি আলাদা সত্তার নির্যাস বা আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাস।

প্রবর্তক

ব্রিটিশ নৃতত্ত্ববিদ রবার্ট ম্যারেট ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে এ মতবাদ প্রদান করেন।

আরেক ব্রিটিশ নৃতত্ত্ববিদ স্যার এডওয়ার্ড বার্নেট টাইলর ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে এ মতবাদ প্রদান করেন।

ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য

এ মতবাদে ব্যক্তি স্বাতন্ত্রতাকে উপেক্ষা করা হয়েছে কারণ এখানে এমন একটি শক্তির অস্তিত্বে বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে যেটি ব্যক্তির ঊর্ধ্বে।

এখানে, ব্যক্তি-প্রাণীসহ প্রতিটি জীবন্ত সত্তায় আলাদা আলাদা আত্মার উপস্থিতিকে স্বীকৃতি দিয়ে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যকে গুরুত্ববহ করা হয়েছে।

সর্বোচ্চ ক্ষমতাধারী

‘মানা’-কেই সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করেছেন ম্যারেট।

‘আত্মা’-ই সবার উপরে সর্বপ্রাণবাদীদের কাছে।

মৃত্যু পরবর্তী ভাবনা

মানাকে তুষ্ট করে যে মানার অধিকারী হতে পারবে সেই মৃত্যুর মাধ্যমে মুক্তি পাবে।

মৃত্যুর পরে আত্মা নবরূপে আবির্ভূত হতে পারে নবসত্তায় অথবা অজান্তেই প্রেতচ্ছায়া হয়েও ঘুরতে পারে।

সাধারণত্ব

মহাপ্রাণবাদীরা একটি সাধারণ মহাশক্তি ‘মানা’য় বিশ্বাস করে।

সর্বপ্রাণবাদীরা আলাদা আলাদা আত্মার অধিকারী মনে করে সবাইকে।

অন্য নাম

মহাপ্রাণবাদের বা Animatism এর আরেক নাম প্রাক-সর্বপ্রাণবাদ। ইংরেজিতে Manaism-ও বলা হয় একে।

সর্বপ্রাণবাদের বা Animism এর অন্য কোনো নাম নেই। 

সফলতা স্বীকৃতি

মহাপ্রাণবাদকে সমাজবিজ্ঞানীরা অধিক যুক্তিযুক্ত ও অভেদ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

সর্বপ্রাণবাদকে যুক্তিযুক্ত বলা হলেও দালিলিক প্রমাণাদির অভাবে অনেকেই এ মতবাদকে স্বীকার করেন না।

উপসনা এবং আনুষ্ঠানিকতা

ইতিবাচক চেতনা ও অর্চনার মাধ্যমে প্রসাদ বিতরণ; কবজ-মাদুলি ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায় মহাপ্রাণবাদীদের মাঝে।

উপাসনার মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে– নিজেকে প্রকৃতির একটি পুণ্য আত্মায় পরিণত করা। সকল জীবকে ও প্রাকৃতিক সত্তাকে সমান জ্ঞান করা।

অ্যানিমিজম ও অ্যানিমাটিজম কিছু কিছু জায়গায় উভয়ে এক; Image Source: kidskiddle.com

চার তত্ত্বের পর্যালোচনা

ধর্মের উৎপত্তি সংক্রান্ত পূর্বোল্লিখিত চারটি তত্ত্ব (দেখুন- ধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় কতিপয় সামাজিক তত্ত্ব) সমাজবিজ্ঞানে সবচেয়ে লোকপ্রিয়। মার্কসের দর্শন পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার ধর্মভিত্তিক চেতনাটিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মার্কসবাদীরা সবকিছুর পেছনেই একটি বৈজ্ঞানিক কারণ অনুসন্ধান করতে ভালোবাসে। সে দৃষ্টিকোণ থেকেই তারা মার্কসের ধর্মের উৎপত্তি ও প্রসার সংক্রান্ত তত্ত্বটি গ্রহণ করেছে শুদ্ধ অন্তঃকরণে।

ডুর্খেইমের ক্রিয়াবাদী তত্ত্বটিতে সাবলীলভাবে বলা হয়েছে ধর্মের উৎপত্তির ব্যাপারে। ক্রিয়াবাদী তত্ত্বে বলা হয়েছে যে সচেতনভাবেই একটি গোষ্ঠীর হাত ধরে ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে। সে গোষ্ঠী সমাজভেদে হিতৈষী বা সুবিধাভোগী দু’য়ের যেকোনো একটি হতে পারে। মার্কস ও ডুর্খেইমের তত্ত্বের মাঝে কিছু কিছু মিল পাওয়া যায়। মার্কস সরাসরি ঘোষণা করলেও ডুর্খেইম অপ্রত্যক্ষভাবে স্বীকার করেছেন যে ধর্ম সমাজে অসমতাকে টিকিয়ে রেখেছে। মার্কসের কাঠখোট্টা বিশ্লেষণ গোঁড়ারা তো নয়ই অনেক সমাজবিজ্ঞানীও মেনে নেননি। যারা তার অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত তত্ত্বকে আস্তাকুড়ে ফেলেছেন তারাই তার ধর্মের উৎপত্তিগত তত্ত্বকেও বোগাস আখ্যায়িত করেছেন।

মার্কস এবং ডুর্খেইম কেউই অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তি বা পরমাত্মা/আত্মার প্রভাবে ধর্মের গোড়াপত্তন হয়েছে এমনটি বিশ্বাস করেননি। আধ্যাত্মিকতা বলতে নিজেকে জানা বা আত্মানুসন্ধানকে ন্যায্যতা প্রদান করা হলেও প্রেতচ্ছায়ার অস্তিত্বকে সরাসরি অগ্রাহ্য করা হয়েছে মার্কসবাদে। সর্বপ্রাণবাদ ও মহাপ্রাণবাদের সাথে ক্রিয়াবাদ ও মার্কসবাদের তুলনা করলে অনেক জায়গাতেই বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। সর্বপ্রাণবাদ থেকেই টোটেম, ফেটিশ, প্রকৃতিপূজা ইত্যাদির গোড়াপত্তনের একটি সুন্দর সাযুজ্য লক্ষ করা গেলেও ক্রিয়াবাদী তত্ত্ব বা মার্কসবাদে তেমনটি যায় না।

মহাপ্রাণবাদে আরেকটি ব্যাপার লক্ষ করার মতো। সেটি হচ্ছে– একটি সাধারণ মহাশক্তি বা মানার আরাধনা বা মানাকে ধারণ করাটা সেখানে তপস্যার প্রধানতম লক্ষ্য হওয়ায় মানব মনে অব্যক্তিক ঈশ্বরের অপ্রত্যক্ষ উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। ফলতঃ মানুষ সামাজিক জীবনে একটি অবলম্বন পায়। মহাপ্রাণবাদ এবং সর্বপ্রাণবাদকে প্রাচীন আর্য ভারতীয় বৈদিক ধর্মের উত্তরপুরুষ হিসেবেও অনেক সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা করেছেন। আর্যরা এমন একটি নিরাকার ও নিরাসক্ত ব্রহ্মের কথা তাদের প্রধানতম ধর্মগ্রন্থ ‘বেদ’-এ, বিশেষ করে ‘ঋগ্বেদ’-এ উল্লেখ করেছিল যার সাথে মানার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

আর্যরা সকল দেবতার ঊর্ধ্বে একজন পরমেশ্বরের কথা বেদে উল্লেখ করেছে; Image Source: hindufaqs.com

আবার, আদিবাসী অনার্যদের প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসেও নিরাকার একটি পরম সত্তার উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। আর্য-অনার্য জীবনাচরণ সমান্তরাল হলেও সমান হয়নি। অনার্যরা দাস, শূদ্র হয়েই তাদের জীবন পার করেছে। হাজার বছরের ধর্মাচরণে বৈদিক আর্য ধর্ম পরিমার্জিত ও পরিবর্তিত হয়েছে। একটি সুশৃঙ্খলিত সমাজ প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে আর্যরা ঋগ্বেদ রচনা করে সামাজিক কাঠামো নির্মাণ করলেও যুগান্তরে সেটি শাসনের হাতিয়ারে পরিণত হয়। শূদ্রদের নিচু-হীন বলে পরিচিত করানো হয়। তারা তাদের এ অবস্থার জন্য পূর্বজন্মের কৃত পাপকে দোষী সাব্যস্ত করতে থাকে।

এখানে আবার মার্কসীয় তত্ত্ব ও ক্রিয়াবাদী তত্ত্ব খুব প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। আব্রাহামি ধর্মগুলোর কথা বিবেচনা করা যাক। খ্রিষ্টান, ইহুদি ও ইসলাম তিনটি বর্তমানে প্রচলিত আব্রাহামি ধর্মগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও লোকপ্রিয়। এ তিন ধর্মাবলম্বীরা প্রত্যেকেই আব্রাহাম বা ইবরাহিমকে ঈশ্বরের প্রেরিত দূত বা পয়গম্বর বলে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাসগত দিক থেকে আব্রাহামকে জাতির পিতাও বলা হয়ে থাকে। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা তাকে ‘খলিলুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। একেশ্বরবাদ যারা প্রচার করেছেন তাদের ভেতর পয়গম্বর আব্রাহাম সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ। তিনি তৎকালীন ইরাকের উর নামীয় একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন রাজপুরোহিতের ঘরে। যৌবনে পদার্পণের পরে সমাজের অসামঞ্জস্যতা নিয়ে তিনি অতিমাত্রায় চিন্তিত ও ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেক চিন্তা চেতনার পরে তিনি একেশ্বরবাদী নতুন ধর্মের প্রবর্তন করেন।

সমাজে প্রচলিত অন্যায় ও বৈষম্যকে হটিয়ে সুশৃঙ্খল সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এবং প্রচলিত আধ্যাত্মিকতার ঊর্ধ্বে নতুন একটি ঈশ্বরত্বের সংবাদ দিয়ে তিনি তার নব-ধর্মের অনুসারী সংগ্রহ করা শুরু করেন। কালান্তরে ইহুদীবাদ, খ্রিস্টানিটি এবং ইসলামের জন্ম হয় আব্রাহামের প্রচারিত মতবাদ থেকে। এখানেও, ক্রিয়াবাদী তত্ত্ব ও মার্কসীয় তত্ত্বের বৈষয়িকতা লক্ষ করা যায়।

পৃথিবীতে কয়েক হাজারেরও বেশি ধর্মীয় মতবাদের প্রচলন থাকলেও সিংহভাগ অনুসারীই প্রধান কয়েকটি ধর্মের; Image Source: shutterstock.com

ধর্ম ও ধর্মভিত্তিক আলোচনাকে সমাজবিজ্ঞানের উপশাখা সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানে স্থান দেওয়া হলেও সমাজবিজ্ঞানের প্রায় প্রতিটি শাখায় ধর্মের অনুষঙ্গ খুব স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে। পৃথিবীতে কয়েক হাজারের মতো ধর্ম ও মতবাদ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে যেগুলো মানুষের নিত্যদিনকার কার্যকলাপকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। তাই, ধর্মভিত্তিক গবেষণা, আলোচনা, সমালোচনা এক হিসেবে মানুষের যাপিত জীবনের ব্যবচ্ছেদেরই শামিল।

ধর্মের ভবিষ্যৎ ভবিষ্যতের ধর্ম

আগামী শতাব্দীগুলোতে ধর্মের অস্তিত্ব সংক্রান্ত আলোচনা বা মতামত শুরুর আগে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি উক্তি বলে শুরু করা যাক –

“I am deeply a religious non-believer–

That is a some kind of religion.”

অর্থাৎ, আইনস্টাইন বলছেন, “আমি একজন গোঁড়া অবিশ্বাসী– কিন্তু, সেটাও যে একধরনের ধর্মের আওতাভুক্ত হয়ে গেল।”

মাইক্রোবায়োলজির জনক লুই পাস্তুর বলেছিলেন –

“Little science takes you away from God, but more of it takes you to him.”

অর্থাৎ, “অল্পবিজ্ঞান তোমাকে ঈশ্বরচ্যুত করলেও, গভীর বিজ্ঞান তোমাকে তার সাথে লীন করবে।”

আইনস্টাইন ধর্ম ও বিজ্ঞানের সাযুজ্যতা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন; Image Source : Magazine-wordpress.com
লুই পাস্তুর; Image Source: banglanews24.com

লুই পাস্তুরের কথাটি ধর্মের অস্তিত্বের ব্যাপারে সরাসরি নির্দেশনা দিতে পারে অনুসন্ধানকারীদেরকে। ধর্মের মূল বা সঠিকতা বুঝতে হলে ধর্ম প্রবর্তকদের জীবনাচরণের দিতে খেয়াল করতে হবে। খেয়াল করে দেখা গেছে- তাদের একাগ্রতা, আধ্যাত্মিকতা, জ্ঞান ও প্রাচুর্যতা পরবর্তী প্রজন্মগুলোতে ক্ষীয়মাণ হয়ে প্রবেশ করেছে। ধীরে ধীরে বিশুদ্ধ মতবাদ অশুদ্ধ হওয়া শুরু করে। যুগান্তরে যুগোপযোগীতা হারায়। তারপর স্ববিরোধীতার জন্ম হয়। আরেকটি নতুন মতবাদের বীজ উপ্ত হয় সেখান থেকে। একসময় নতুন আরেকটি মতবাদ জন্ম নেয়।

গত, ৫০০০ বছর এভাবেই চলছে। তবে যে যাই বলুক, সমাজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ধর্মের অবদান সবচেয়ে বেশি। শ্রেণিদ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীবৈষম্য যতদিন থাকবে ততদিন মানুষের প্রতি দুঃখ-কষ্ট, অন্যায়-অনাচারও থাকবে। নির্যাতিত অসহায় মানুষ এসে আশ্রয় নেবে ধর্মের ছায়াতলে। পাপ-পুণ্যের হিসাব বা পরলৌকিক জীবনের প্রতি বিশ্বাস বা ভয় মানুষকে ধাবিত করবে সৎকাজের প্রতি। ভলতেয়ার বলেছিলেন,

It’s impossible to believe in god like it’s impossible not to believe in him.”

“If there were no God, it would have been necessary to invent him.”

“ঈশ্বরে বিশ্বাস করা যেমন অসম্ভবপর, তেমনই অসম্ভবপর ঈশ্বরে বিশ্বাস না করা।”

“যদি সত্যিকারের ঈশ্বর বলতে কেউ নাও থাকত, তবুও আমাদের একজন ঈশ্বরকে সৃষ্টি করতে হত।”

References

  1. আর্মস্ট্রং, কারেন. (২০১০). স্রষ্টার ইতিবৃত্ত. বাংলা অনুবাদ : শতকত হোসেন. (১ম সংস্করণ). ঢাকা : রোদেলা প্রকাশনী.
  2. আজাদ, হুমায়ুন. (২০০৮). পুরাণ, জ্যোতিষশাস্ত্র ও ছদ্মবিজ্ঞান. মহাবিশ্ব, ২য় সংস্করণ, ১৪১-১৫০. ঢাকা : আগামী প্রকাশনী
  3. হারারি, ইউভাল নোয়া. (২০১৯). সেপিয়েন্স মানুষের ইতিহাস. ভাষান্তর : সুফিয়ান লতিফ, শুভ্র সরকার ও রাগিব আহসান. (১ম সংস্করণ). ঢাকা.
  4. সমাজবিজ্ঞান. (২০১২). ইউনিট ৭. সামাজিক প্রতিষ্ঠান ধর্ম. পাঠ ১ – ৪. বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়.
  5. হাই, মোহাম্মদ আবদুল. (২০১৪). বাঙালির ধর্মচিন্তা. (১ম সংস্করণ). ঢাকা : সাঈদ বারী.

Featured image: Sudeep Mehta

This article is about the comparison and criticizes of the four sociological theories about the origins of religion. 

 

Related Articles