Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The company has transitioned to a content production studio, offering creative solutions for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Roar Media website, click here.

বাংলাদেশি সিরিয়াল কিলারদের কথা – রসু খাঁ এবং অন্যান্য

রক্ত হিম করা চিৎকারে চমকে উঠলো না কেউ! নিঃশব্দে, একেবারে নীরবে সারা গেছে কাজটা। নির্জীব দেহখানার খোলা চোখে এখনো বিস্ময়-আতঙ্ক মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে হালকা হতে শুরু করলো রক্তের ধারা, সেই সাথে খেই হারালো ঘটনার একমাত্র সাক্ষী- শেষরাতের ম্লান আলো ছড়ানো চাঁদ। প্রশান্তির সাথে লম্বা পা ফেলে এগিয়ে চললো ছায়ামূর্তি। খুব শীঘ্রই খুঁজে নিতে হবে পরবর্তী শিকারকে…।

নাটক, সিনেমা কিংবা গল্পে এরকম দৃশ্যের হরহামেশাই দেখা পাই আমরা। এই সকল ঘটনা নানা গল্পে, নানা সিরিজে রকমারিভাবে ফুটে উঠেছে এবং এগুলো একটি বিষয়কে ঘিরেই আবর্তিত। আর তা হলো সিরিয়াল কিলিং বা ক্রমহত্যা। বিশ্বের নানা প্রান্তে আজ অবধি প্রচুর সিরিয়াল কিলারের সন্ধান পাওয়া গেছে। তাদের বর্বরোচিত আচরণে কেউ বা চমকে ওঠে, কারো বা গায়ে কাঁটা দেয়। তেমনি বাংলাদেশেও সন্ধান পাওয়া গেছে কয়েকজন সিরিয়াল কিলারের- যাদের কেউ বা প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে, আবার কেউ প্রতিপত্তির লোভ ও অন্যান্য কারণে বেছে নিয়েছেন এই ঘৃণ্য খুনে নেশাকে। তাদের কয়েকজনকে নিয়েই সাজানো আজকের এই লেখা।

সিরিয়াল কিলিং এর সংজ্ঞায়ন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে করা হয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তি একাধারে কিছু সময় পরপর একই উদ্দেশ্য নিয়ে একইভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ খুন করলে তাকে সিরিয়াল কিলার বলা হয়। কোনো ক্ষেত্রে তিনটি আবার কখনো এই খুনের সংখ্যা দু’টি ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে সিরিয়াল কিলারদের মধ্যেও এর বাত্যয় ঘটে নি। তবে এ সকল সিরিয়াল কিলারের মধ্যে একটি ব্যাপারে বেশ মিল রয়েছে। আর তা হলো এদের অধিকাংশেরই শিকার হলো নারী! রাগ, বিদ্বেষ, পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের সাথে অসুস্থ মনমানসিকতার মিশেলে তারা নারীদের বেছে নেয় শিকার হিসেবে। আবার প্রতিপত্তির লোভ কিংবা নিছক মানসিক অসুস্থতার অনুকরণও সিরিয়াল কিলিং এর অন্যতম কারণ।

রসু খাঁ

প্রেমে প্রতারিত হয়ে শপথ নিয়েছিল এই ব্যক্তি- খুন করবে ১০১ জন নারীকে, এরপর বাকি জীবন কাটিয়ে দেবে সুফি হিসেবে! ভাগ্য অতটা সুপ্রসন্ন হয়নি এই ক্রমিক খুনির ওপর। ২০০৯ সালের ৭ই অক্টোবর ধরা পরার আগে তার সর্বশেষ শিকার ছিল এগারোতম। দুধর্ষ এই খুনির সিরিয়াল কিলিংয়ের গল্প জানতে হলে তার অতীত থেকে একটু ঘুরে আসা যাক।

রশিদ খাঁ তথা রসু খাঁর জন্ম চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার মদনা গ্রামে। ক্ষেতমজুর আবুল হোসেন ওরফে মনু খাঁ তার বাবা ছিলেন, যার মৃত্যুর পর তার পরিবার অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। এ সময় সে ছোটখাট চুরির সাথে জড়িয়ে পড়ে। তার মা সহ অন্যান্য পরিবার সদস্যরা নানাদিকে আলাদা হয়ে গেলে ভবঘুরের বেশে টঙ্গী আসে সে। বিয়ের সময় ঘটক তাকে পাত্রী দেখতে না দেয়ায় বিয়ের পর সে জানতে পারে তার স্ত্রীর একটি চোখ নষ্ট। বছর দুয়েক পর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শশুরবাড়ি রেখে শ্যালিকা রিনা বেগমকে বিয়ে করে টঙ্গী নিয়ে আসে সে। দ্বিতীয় স্ত্রী রিনা গার্মেন্টসে কাজ নেয়। এদিকে সে জড়িয়ে যায় চুরির মতো অপরাধ কর্মকাণ্ডে।

স্ত্রী তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ নেয়ায় রসুর সাথে সেখানে কর্মরত অনেক নারীর পরিচয় হয়- যাদের একজনের সাথে তার প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে মেয়েটি তাকে রেখে অন্য একজনের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে এর প্রতিবাদ করে সে এবং ফলশ্রুতিতে ঐ নারীর ইন্ধনে তার প্রেমিকসহ কয়েকজন তাকে বেদম মারধর করে। সেদিনই রসু খাঁ প্রতিজ্ঞা নেয়, ১০১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা করবে সে।

এরপরই পরিকল্পনামাফিক এগোতে শুরু করে সে। সাভার ও টঙ্গী থেকে প্রেমের অভিনয় করে নানাভাবে নিম্নবিত্ত নারীদের চাঁদপুরে নিয়ে আসে সে। এরপর প্রায় সবাইকেই ধর্ষণের পরে হত্যা করে। তার নৃশংসতার শিকার প্রায় সবাই ছিল গার্মেন্টসকর্মী। হত্যার শিকার অধিকাংশ নারীরই লাশ অজ্ঞাতপরিচয় রয়ে গেছে। হত্যার পর সে লাশ পানিতে ফেলে দিতো অধিকাংশ সময়। কখনো নারীদের হাত-পা বেঁধে পানিতে চেপে ধরে রাখতো যতক্ষণ না তাদের মৃত্যু হয়। টাকার বিনিময়ে কোনো গৃহবধূ ও নারীকে হত্যার সুপারিশ পেলে সে তা-ও সানন্দে গ্রহণ করতো।

পুলিশি হেফাজতে সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ

২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ৯ তারিখ ফরিদগঞ্জের গোবিন্দপুর ইউনিয়নের হাঁসা গ্রামে সঙ্গী ইউনুস ও শাহীনের প্ররোচনায় একইভাবে এক নারীকে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে বন্ধু মানিকের স্ত্রীর প্ররোচনায় অন্য একজন নারীকে ঐ একই গ্রামে নির্যাতন শেষে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেয়। এমনকি তার শিকার হিসেবে তার শ্যালকের স্ত্রীর কথাও শোনা যায়। সে এবং তার শ্যালক আব্দুল মান্নান মিলে মেয়েটিকে ২০০৭ সালের ১৯শে জুন ফরিদগঞ্জের ৯ নং ইউনিয়নের ভাটিয়া গ্রামে নদীর পাড়ে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে জলে ফেলে দেয়।

তার ১১ শিকারের অন্যতম একজন খুলনার দৌলতপুরের সজলা গ্রামের সাহিদা বেগম। ১৯ বছরের পোশাককর্মী সাহিদা বেগমের সাথেও ছলনার আশ্রয় নেয় সে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদপুরে নিয়ে এসে ধর্ষণের পর খুন করে লাশ ফেলে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনাটি ২০০৮ সালের। তার সর্বশেষ শিকার পারভীন আক্তার। গাজীপুরের একটি বাজারে তিন সন্তানের জননী পারভিনের সাথে রসুর পরিচয় হয়। পরিচয় ধীরে ধীরে প্রণয়ে গড়ালে সে তাকে ফরিদগঞ্জের হাঁসা গ্রামে নিয়ে যেতে চায়। এরপর ২০০৯ সালের ৭ জুলাই ভাগ্নে জহির, সে ও সঙ্গী ইউনুস মিলে পারভীনকে নির্যাতনের পর মুখে কাপড় গুঁজে হাত-পা বেঁধে গলা টিপে হত্যা করে পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেয়। এরপর রিকশাচালক পরিচয়ে পারিবারিক বিরোধ আছে এমন দুই ব্যক্তিকে হত্যাকান্ডের জন্য ফাঁসায় সে। নিজের মোবাইলের সিম কার্ড খুলে ফেলে সে। ২-৩ মাস জেল খেটে ঐ দুই ব্যক্তি জামিন পায়।

তবে ধরা পড়ার দিন ঘনিয়েই আসছিল এই খুনির। গাজীপুরের স্থানীয় এক মসজিদের সিলিং ফ্যান (মতান্তরে মাইক) চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে সে। তখন স্থানীয় একজন তার মোবাইল ফোন ও সিম রেখে দেয়। এরপর অন্য যুবক কোনোভাবে সেই সিম পেয়ে ব্যবহার করতে শুরু করলে পারভীনের মামলার তদন্তকারী পুলিশের এস.আই. মীর কাশেম ঐ নম্বরে ফোন দিয়ে কথা বলেন ও ধীরে ধীরে জানতে পারেন সিমের আসল মালিক সম্পর্কে।

পুলিশ সোর্সের খবরে ঐ বছরেরই ৭ই অক্টোবর টঙ্গীর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদগঞ্জ থানায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ফরিদগঞ্জের ৬টি, হাইমচরের ৪টি ও চাঁদপুরের ১টি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেয় যা ৩টি থানার ১০টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশের সাথে হুবহু মিলে যায়।

তার খুনের পদ্ধতি প্রায় একই রকম ছিলো- শ্বাসরোধ করে পানিতে লাশ ফেলে দেয়া। প্রায় প্রতিটি শিকারের শরীরে কামড়ের দাগ এবং ছুরি দিয়ে বক্ষদেশ ও গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার শিকার ছিল ১৬-৩৫ বছর বয়স্ক নারী। একটি মামলায় তাকে ফাঁসি ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেয়া হয়। বাকি মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে।

এরশাদ শিকদার

কুখ্যাত ও আলোচিত এই ক্রমিক খুনির জন্ম ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার মাদারঘোনা গ্রামে। তার পিতার নাম বন্দে আলী। নৃশংস এই সিরিয়াল কিলারের কুলি থেকে ধনাঢ্য হবার কাহিনীর অধিকাংশ অক্ষরই রক্তে লেখা। খুন ছাড়াও অন্যান্য অত্যাচার, চুরি-ডাকাতি ও নানান অপরাধের জন্য কুখ্যাত এই খুনি ১৯৬৬-৬৭ সালের দিকে জন্মস্থান ছেড়ে খুলনায় আসে এবং রেলস্টেশনে কুলির সহকারী হিসেবে কাজ নেয়।

কালক্রমে সে রেললাইনের পাত চুরি করে অবৈধভাবে বিক্রি করার চক্রের সাথে জড়িয়ে পড়ে। একসময় সে নিজেই তাদের নিয়ে নতুন দল গঠন করে ও রাঙ্গা চোরা নামে পরিচিতি পায়। ১৯৭৬-৭৭ সালে রামদা বাহিনী গঠন করে ডাকাতি, রাহাজানি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পর ঐ বাহিনী নিয়েই ’৮২ সালে ৪ ও ৫ নং ঘাট এলাকা দখল করে তার একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে।

রাজনৈতিক ব্যাপারে সে ছিল যথেষ্ট সুবিধাবাদী, যখন যে দল সরকার হিসেবে নির্বাচিত হতো, সেখানে যোগ দিতো এই খুনি। ভয় দেখিয়ে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে সে রাজনৈতিক সুবিধা ও সমর্থন আদায় করতো। খুলনার বরফকল মালিক রফিককে ভয়পূর্বক বিতাড়িত করে মানুষকে সেখান থেকে বরফ কিনতে বাধ্য করে এবং বরফকলকে তার নির্যাতনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করে সে। ঐ বরফকলে টর্চার সেল গড়ে তোলে এরশাদ শিকদার। রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে যে-ই তার প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হতো তাকেই দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে দ্বিধা করতো না সে। যাকে ভালো লাগতো তাকেই তুলে এনে নির্যাতন করতো সে। এমনকি ভাড়াটে খুনি হিসেবেও তার খুন করার নজির আছে।

তার এক হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষীর মতে, ১৯৯৯ সালের ১৫ই মে খালিদ হোসেন নামক যুবলীগ নেতাকে নির্মমভাবে পেটানোর পর তার বুকের ওপর নিজে লাফিয়ে পড়ে এই খুনি এবং ফলশ্রুতিতে পাঁজরের সব হাড় ভেঙ্গে মৃত্যু হয় তার। এ হত্যাকাণ্ডে তার সহযোগী ছিল জামাই ফারুক ও লিয়াকত লস্কর। ১৯৯৯ সালের ১১ই আগস্ট গ্রেফতার হয় এই খুনি। গ্রেফতার কালে তার নামে ৪৩টি মামলা হয়েছিল।

এরশাদ শিকদার

৬০টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগযুক্ত এই খুনি ১৮টি কেসে বেকসুর খালাস পেলেও ৭টি মামলায় তার ফাঁসির সাজা হয় এবং চারটিতে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় হয়। তার বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয়ে ২৪টি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেয় তার সহযোগী নূরে আলম। শিকদারের কাছে ৭০টি আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা নূরে আলম বললেও এরশাদের বাড়ি স্বর্ণকমল থেকে মাত্র একটির সন্ধান পাওয়া যায়। ঘৃণ্য অপরাধী ও নৃশংস এই খুনির করা প্রাণভিক্ষার আবেদন মহামান্য রাষ্ট্রপতি নাকচ করে দেন। অতঃপর ২০০৪ সালের ১০ই মে খুলনা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মাধ্যমে অবসান ঘটে এই ত্রাসরূপী পিশাচের।

মাহফুজ

মাত্র ২০ বছর বয়সী এই যুবক মাত্র চার ঘণ্টায় খুন করে তার ৫ জন নিকটাত্মীয়কে! খুনের অস্ত্র হিসেবে শিলপাটার শিল বেছে নিয়েছিল এই ঘাতক। শিলের আঘাতে সবাইকে হত্যা করে অচেতন না করেই। তাৎক্ষণিকভাবে এই খুনের সিদ্ধান্ত সে নিয়েছিল। পুলিশের ভাষায় অপেশাদার খুনি হলেও তার খুনের পেছনে কাজ করা মনোবল এতটাই দৃঢ় ছিল যে, সে প্রথম খুনটি করার পরেও দরজা খুলে না পালিয়ে একে একে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ খুনগুলো সফলতার সাথে করে।

এরপর সে অপেক্ষা করতে থাকে। বাসায় ফিরে এলে অনুজ মামাতো ভাই শান্তকেও সে নিস্তার দেয় না। এরপর সে শিল ও কাপড় থেকে যথাসম্ভব রক্ত মুছে পোশাক পাল্টে ফেলে। সে যে হোসিয়ারিতে কাজ করত সেখানে গিয়ে গোসল করে ঘুমিয়ে পড়ে। খুনির ভাষ্যমতে তার ছোট মামী লামিয়ার সাথে তার প্রণয়ের সম্পর্ক ছিলো (যদিও নিহতদের আত্মীয়ের এ ব্যাপারে দ্বিমত আছে)। সে ১৫ই জানুয়ারী রাতে ওই ঘটনাস্থলে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে, কিন্তু ধরা পড়ে যায়। এরপর তীব্র আক্রোশে সে হত্যাকান্ডগুলো ঘটায়। পাঁচজনের হত্যাকান্ড সে একাই ঘটায়- তার এই বক্তব্যে পুলিশও হতবাক না হয়ে যায় না।

ঘাতক মাহফুজ

এমনিভাবে নানানভাবে হত্যাকান্ড ও তার আগে নির্যাতনে পিছুপা হয়নি এ সকল বাংলাদেশি সিরিয়াল কিলার। এ সকল খুনের পেছনে মানসিক অসুস্থতা এবং দীনতাই দায়ী। বাংলাদেশে খোঁজ পাওয়া সিরিয়াল কিলারদের কারো ফাঁসি হয়েছে, কারো নামে মামলা চলছে আবার অনেকেই আইনি ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে। বাংলাদেশের আরো কিছু সিরিয়াল কিলারদের কাহিনী নিয়ে দেখা হবে লেখাটির আগামী পর্বে।

তথ্যসূত্র

১) goo.gl/vmsuPJ

২) goo.gl/ackrxK

৩) goo.gl/ZTGzUI

৪) goo.gl/9qoCNh

৫) goo.gl/KDYcdF

৬) goo.gl/oDlzqo

৭) goo.gl/wtoJ0p

৮) goo.gl/poyJ2l

৯) goo.gl/HWcMBW

Related Articles