[প্রথম অংশের পর থেকে]

১৯৮৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি বোথা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত হন ফ্রেডেরিক উইলেম ডি ক্লার্ক। ক্লার্কের ক্ষমতা গ্রহণ দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস নতুন করে রচনা করার পথে সহায়ক হয়। ১৯৯০ সালে ক্লার্ক প্রথমবারের মতো ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেবার কথা ঘোষণা করেন এবং এর সাথে সাথে এএনসিসহ বর্ণবাদ বিরোধী সকল সংগঠনের ওপর থেকে পূর্বারোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন।

গণমানুষের তোপের মুখে তৃতীয় বিশ্বের প্রবল সমর্থন ও বিশ্ব জনমত বিবেচনায় অবশেষে ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছরের কারাবাস শেষে প্রায় বৃদ্ধাবস্থায় মুক্তি পান মানবতাবাদী বিশ্বনেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তার মুক্তির আনন্দ উদযাপনের জন্য প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষের জমায়েত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে। প্রবল গণঅভ্যর্থনা, আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জনসম্মুখে আসেন এই বিশ্বনেতা। বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের সামনে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় বর্বর বর্ণবাদের অহংকার, মুক্তি পায় মানবতা।

মাদিবার মুক্তির আনন্দ উদযাপনের জমায়েতে মানুষের উচ্ছ্বাস; ছবিসূত্রঃ foxnews.com

তিনিই একমাত্র বিশ্বনেতা যিনি কারাগার থেকে মুক্ত হবার ক্ষণকালেই তার দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিপ্লব চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন। কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেন,

Our resort to the armed struggle in 1960 with the formation of the military wing of the ANC (Umkhonto we Sizwe) was a purely defensive action against the violence of apartheid. The factors which necessitated the armed struggle still exist today. We have no option but to continue. We express the hope that a climate conducive to a negotiated settlement would be created soon, so that there may no longer be the need for the armed struggle.” (১৯৬০ সালে আমরা সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করতে বাধ্য হই। বর্ণবাদের হিংস্রতার হাত থেকে আত্মরক্ষার খাতিরেই আমরা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন উমখান্তো উই সিযওয়ে গঠন করেছিলাম। সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করার পেছনের কারণগুলো এখনো রয়ে গেছে। তাই এ সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আমাদের হাতে আর কোনো পথ নেই। আমরা আশা করি, শান্তি আলোচনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ অচিরেই সৃষ্টি হবে এবং আমাদের আর সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাবার দরকার থাকবে না)

মুক্তি পাবার পর জনসম্মুখে মাদিবা; ছবিসূত্রঃ sahistory.org.za

শান্তিতে নোবেল ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

মুক্তি লাভের পর মাদিবার সর্বাগ্রবর্তী লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যে কাজ করতে ১৯৯১ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় সম্মেলনের ডাক দেন। সেখানে তিনি দলটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং শান্তি আনয়নের লক্ষ্যে আফ্রিকান সরকারে সাথে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেন।

১৯৯১ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আফ্রিকান সরকারের সাথে কোনোভাবেই সমঝোতায় আসা সম্ভবপর হচ্ছিল না। নানান বাক-বিতণ্ডার মধ্য দিয়ে আলোচনা চলাকালীন ক্লার্কের সরকার কর্তৃক বেশ কয়েকটি গণহত্যা শান্তিচুক্তিকে প্রবল মাত্রায় ব্যাহত করে। ফলস্বরূপ সারা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ম্যান্ডেলা তা স্বীয় নেতৃত্বগুণে দমন করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় শান্তি আনয়নের জন্য আলোচনায় অবদান স্বরূপ নেলসন ম্যান্ডেলা ও ক্লার্ক যৌথভাবে ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিপ্লবে বিশ্বাসী থাকার পরেও পশ্চিমা ও সাম্রাজ্যবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী তাঁকে অহিংস গান্ধীবাদী হিসেবে আখ্যা প্রদান করে। যদিও অহিংসতার কারণে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মহাত্মা গান্ধীকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

শান্তিতে নোবেল পদক গ্রহণকালে মাদিবা; ছবিসূত্রঃ abc.net.au

উভমুখী সংঘাতের চলমান ক্রিয়ার ফলে আফ্রিকান সরকার শেষ পর্যন্ত সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করতে বাধ্য হয়। সকল জল্পনা-কল্পনা পেরিয়ে অবশেষে ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা হয়। এতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্ক ভোটাধিকার অনুযায়ী সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তিন দিনব্যাপী ভোট গ্রহণের মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি আফ্রিকান তাদের ভোট প্রদান করে এবং প্রত্যাশিতভাবেই আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস প্রায় ৬২% ভোট পেয়ে সুদূরপ্রসারী জয় লাভ করে। এর আদ্যন্তে গণমানুষের প্রতিনিধি নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আর এভাবেই শুরু হয় প্রগতি, শান্তি, সমৃদ্ধি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের পথে দক্ষিণ আফ্রিকার পথ চলা।

নতুন দিগন্তের সূচনাকালে মাদিবা; ছবিসূত্রঃ thesaltcollective.org

প্রেসিডেন্ট ম্যান্ডেলা এবং পরবর্তী জীবন

আফ্রিকান সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের পর জনমানুষের এই নেতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এতকাল ধরে নির্যাতিত কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা। কেননা দীর্ঘসময় অত্যাচারিত হয়ে আসা কৃষ্ণাঙ্গরা বর্বর শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ করাটাই ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার হওয়াটাও তখন অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু এরূপ ঘটলে প্রকৃত অর্থে বর্ণবাদহীন সমাজ গঠনের অগ্রযাত্রা মারাত্মক ভাবেই ব্যহত হতো। তাই এমনটা ঘটতে দেননি সত্যিকারের জনমানুষের এ নেতা। এবং তা দূরীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় পুনর্মিত্রতা নীতি প্রণয়ন করেন; যা ছিল সে সময়ের সবচেয়ে সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষে তিনি বহুসংখ্যক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেন যা সমগ্র আফ্রিকাদের জীবনযাত্রার ঊর্ধ্বগতিকে ত্বরান্বিত করে। এর পাশাপাশি আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রেও অসামান্য ভূমিকা পালন করেন এই বিচক্ষণ নেতা। নির্যাতিত-নিপীড়িত আফ্রিকাকে তিনি নিয়ে যান সভ্যতার অনন্য এক শিখরে, তাঁর হাত ধরেই নতুন করে লেখা হয় সভ্য আফ্রিকার ইতিহাস।

শপথ গ্রহণ কালে প্রেসিডেন্ট ম্যান্ডেলা; ছবিসূত্রঃ framework.latimes.com

প্রথম মেয়াদে সফল ভাবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৯ সালে স্বেচ্ছায় প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ান স্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন ম্যান্ডেলা।  ততদিনে দক্ষিণ আফ্রিকাসহ সমগ্র বিশ্ব তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের শ্রদ্ধাভাজন হয়ে উঠেছেন তিনি। এত অর্জনের পরেও জীবনে তিনি একবারের জন্যেও ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেনি। সর্বদাই ছিলেন অমায়িক ও বিনয়ী একজন খাঁটি মানবতাবাদী।

রাজনীতি থেকে অবসর নেবার পর তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানান সমস্যা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতেন এবং বিভিন্ন মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করতেন। তবে এ সময়ও সকল প্রকার অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল প্রতিবাদমুখর। ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ব্যাপক সমালোচনা করার পাশাপাশি মার্কিনীদের বিভিন্ন কপটতার বিরুদ্ধেও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন আপোষহীন এ মানুষটি।

২০০৪ সালে সকল ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অবসর গ্রহণ করেন মাদিবা। এরপর শুধুমাত্র সামাজিক সেবা ও সচেতনতামূলক কাজ করে গেছেন। এর মধ্যে এইআইভি সম্পর্কে সচেতনতা ক্যাম্পেইন অন্যতম। তিনি শেষবারের মতো জনসম্মুখে আসেন ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় ফুটবল বিশ্বকাপের আসরে। বস্তুত আফ্রিকায় ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনে তাঁরই ছিল গুরুভূমিকা।

২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে মাদিবা; ছবিসূত্রঃ zimbio.com

জীবনের শেষ বয়সে এসে রোগ যেন তাঁর পিছু ছাড়তেই চাচ্ছিল না। ভেঙে পড়ছিল শরীর। ২০১১ সালে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলে তা সমগ্র বিশ্বের নজরে আসে। সেবার খুব স্বল্পসময়ের মধ্যেই তিনি ছাড়া পেয়ে যান সেখান থেকে। তবে এরপর ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে তাঁকে বেশ ভুগতে হয়। এবং ২০১২ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার হাসপাতালগামী হতে হয়। ২০১৩ সালের জুনে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণের অবস্থা আরো খারাপ হলে আবারো তিনি প্রিটরিয়াতে ভর্তি হন হাসপাতালে।

জীবন যখন আর শরীরের ভার টানতে চাচ্ছিল না, তখন হয়ত অবচেতন মনে স্বর্গলোকের ডাক শুনেছিলেন মাদিবা। তাই সেবার বিশেষ উন্নতি ছাড়াই সেপ্টেম্বরে বাসায় ফিরে আসেন পরিবারের সাথে একান্ত কিছু সময় কাটাবার উদ্দেশ্যে। তবে খুব বেশিদিন স্বর্গলোকের সাক্ষাৎ উপেক্ষা করতে পারেননি তিনি। সে বছরেরই ৫ ডিসেম্বর সমগ্র বিশ্বকে কাঁদিয়ে অন্তিম নিদ্রায় শায়িত হন মানব মুক্তির এই মহান অগ্রদূত। আর এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের পক্ষে, বর্ণবাদবিরোধী, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তির পথে তাঁর ৯৫ বছরের সংগ্রামী জীবন নিমীলিত হয়।

শেষ জীবনে অসুস্থ অবস্থায় নেলসন ম্যান্ডেলা; ছবিসূত্রঃ mg.co.za

মাদিবার মৃত্যুতে সমগ্র বিশ্ব শোকাভিভূত হয় এবং সমগ্র দক্ষিণ আফ্রিকায় ১০ দিনের জাতীয় শোক পালন করা হয়। ৮ ডিসেম্বর তাঁর জন্য শান্তি কামনা করে সারা দেশে বিশেষ প্রার্থনা করা হয় এবং ১০ ডিসেম্বর সর্বস্তরের মানুষের জন্য শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করা হয়।

সে সময় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ৯০ জন প্রতিনিধি তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে দক্ষিণ আফিকা ভ্রমণ করেন। এর মধ্যে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দেওয়া সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, বিল ক্লিনটন, বুশ, বারাক ওবামা, তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনসহ আরও অনেক মান্য ব্যক্তিবর্গ। তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, আমরা হারিয়েছি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী, নির্ভীক, নির্ভেজাল একটি ভালো মানুষকে।”

সকল শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে ১৫ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ভাবে নেলসন ম্যান্ডেলার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ম্যান্ডেলার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাও সে তুং এর বিখ্যাত বক্তব্যটি মনে পড়ে যায়। মাও সে তুং বলেছেন “সকল মানুষকেই মরতে হবে। তবে কোনো কোনো মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়ে ভারি আর কোনো কোনো মৃত্যু পালকের চেয়েও হালকা। জনগণের জন্য মৃত্যুবরণ হচ্ছে থাই পাহাড়ের চেয়ে ভারি। কিন্তু যারা ফ্যাসিবাদের জন্য কাজ করে এবং শোষক ও অত্যাচারীর সেবা করতে গিয়ে মরে, সে মৃত্যু পালকের চেয়ে হালকা।”

ম্যান্ডেলার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে লাখো মানুষের ভিড়; ছবিসূত্রঃ azinlikca.net

ম্যান্ডেলার বিখ্যাত কিছু উক্তি

  • শিক্ষা সবচেয়ে শক্তিশালী একটা অস্ত্র, যা তুমি বিশ্বের পরিবর্তনে ব্যবহার করতে পার।
  • কোনো কিছু করার আগ পর্যন্ত সব সময় অসম্ভবই মনে হয়।
  • কেউ যদি নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকে তবে সে অবশ্যই বিজয়ী হবে।
  • যখন একজন মানুষ তার দেশ ও জাতির প্রতি তার দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করতে পারে, তবেই শান্তিতে মরতে পারে।
  • একটি মেধাবী মস্তিষ্ক এবং ভালো মনের সমন্বয় সবসময়ই দুর্দান্ত।
  • আমি শিখেছি ভয় না থাকাই সাহস নয়, ভয়কে জয় করাই সাহস। ভয়বোধ হয় না যার সে সাহসী ব্যক্তি নয়, বরং ভয়কে যে জয় করতে পারে সেই সাহসী।
  • কোনো বিশাল পাহাড়ের চূড়ায় উঠার পর একজন দেখতে পায়, আরোহণের মতো আরও পাহাড় রয়েছে।
  • আমার সাফল্য দিয়ে আমাকে বিচার করো না, আমি কতবার পড়ে গিয়েও আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছি, তা দিয়ে আমাকে বিচার কর।
  • আপনি যদি শত্রুর সাথে শান্তিতে থাকতে চান, তবে তার সাথে আপনাকে মিশে যেতে হবে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। তবেই আপনার শত্রু আপনার সঙ্গীতে পরিণত হবে।
  • শৃঙ্খল ভেঙে ফেলাই স্বাধীনতা নয়, অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করে বেঁচে থাকাই স্বাধীনতা।

প্রথম পর্বঃ মাদিবা: একজন স্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন

মাদিবাঃ একজন স্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন

তথ্যসূত্রঃ

১) en.wikipedia.org/wiki/Nelson_Mandela

২) history.com/topics/nelson-mandela

৩) uttaradhikar.banglaacademy.org.bd/article_no/1052

৪) goodreads.com/author/quotes/367338.Nelson_Mandela