টু কিল স্ট্যালিন: মিনি–সিরিজে সোভিয়েত–জার্মান মস্তিষ্কের লড়াই

“কমরেড বেরেঝনয়! তুমি এই খেলায় হেরে গেছো। তোমরা যেসব অফিসারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছো, তাদের কেউই জার্মান এজেন্ট ছিল না! শব্দ শুনতে পাচ্ছো? যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে!” জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা ‘আবওয়ের’–এর মেজর মার্টিন হেসের এই উক্তির মধ্য দিয়ে এবং সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা ‘এনকেভিডি’র ক্যাপ্টেন ইভান বেরেঝনয়ের এক মারাত্মক ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে এই কাহিনীর সূচনা, যে ব্যর্থতার ভার তাকে শেষ পর্যন্ত বহন করতে হয়।

১৯৪১ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। জার্মানরা ইতোমধ্যে ইউরোপের অধিকাংশ রাষ্ট্রকে পদানত করেছে। জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ১৯৩৯ সালে একটি অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু উভয় পক্ষই জানে যে, এই ‘মৈত্রী’ সাময়িক এবং জার্মান ও সোভিয়েতদের মধ্যে একটি যুদ্ধ আসন্ন। ফলশ্রুতিতে জার্মান ও সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস এক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত।

এনকেভিডি ক্যাপ্টেন ইভান বেরেঝনয় তখন ইউক্রেনীয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিয়েভে কর্মরত। সেখানে তিনি মার্টিন হেস নামক একজন জার্মান কূটনীতিককে এনকেভিডি এজেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করতে সমর্থ হলো। হেস তাকে প্রচুর তথ্য সরবরাহ করতে লাগল। এর মধ্য দিয়ে এনকেভিডি জানতে পারল যে, সোভিয়েত সশস্ত্রবাহিনীর বহুসংখ্যক সিনিয়র কর্মকর্তা গোপনে জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করেছে এবং যুদ্ধ শুরু হলেই তারা দলত্যাগ করে আক্রমণকারী জার্মানদের সঙ্গে যোগ দেবে।

‘উবিৎ স্তালিনা’ মিনি–সিরিজের একটি প্রচারণামূলক ছবি; Source: IMDb

এনকেভিডি সঙ্গে সঙ্গে সেই অফিসারদের গ্রেপ্তার করল, এবং যথারীতি জার্মানির পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। এরপর হেস বেরেঝনয়কে জানালো, ১৯৪১ সালের ২২ জুন ভোর ৪টায় জার্মানি থেকে একজন বিশেষ বার্তাবাহক তার সঙ্গে দেখা করতে আসবে। এই বার্তাবাহককে হাতেনাতে ধরার জন্য কিয়েভের একটি ভবনে বেরেঝনয় এবং একজন এনকেভিডি অপারেটর হেসের সঙ্গে অপেক্ষা করছিল।

কিন্তু ১৯৪১ সালের ২২ জুন ঠিক ভোর ৪টায় উক্ত বার্তাবাহক আসার পরিবর্তে জার্মান যুদ্ধবিমান কিয়েভের ওপর বোমাবর্ষণ আরম্ভ করে। সঙ্গে সঙ্গে বেরেঝনয় বুঝতে পারে, তাকে বড় একটি ধোঁকা দেয়া হয়েছে। প্রথমে তাকে ভুয়া তথ্য সরবরাহ করে জার্মানরা সোভিয়েতদের নিজেদের হাত দিয়েই তাদের সেরা সামরিক কর্মকর্তাদের নিশ্চিহ্ন করিয়েছে, এরপর ১৯৪১ সালের ২২ জুন সোভিয়েত ইউনিয়নের ওপর যুদ্ধ ঘোষণা ব্যতিরেকে আক্রমণ শুরু করেছে। বেরেঝনয় হেসকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করে, কিন্তু ক্ষিপ্র হেস বেরেঝনয়ের সঙ্গে থাকা এনকেভিডি এজেন্টকে খুন করে এবং বেরেঝনয়কে আহত করে পালিয়ে যায়।

জার্মান আক্রমণের তীব্রতায় সোভিয়েত সৈন্যরা পিছু হটতে থাকে, এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পশ্চিমাঞ্চলের বিরাট এক অংশ জার্মানদের দখলে চলে যায়। ১৯৪১ সালের অক্টোবরে জার্মান সৈন্যরা সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী মস্কো অভিমুখে তীব্র আক্রমণ পরিচালনা করে। সোভিয়েত সৈন্যরা কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে, এবং জার্মানদের অগ্রযাত্রা স্তিমিত হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আবওয়ের’ (Abwehr) দ্রুত যুদ্ধ জয়ের জন্য একটি অভিনব পরিকল্পনা করে। এই পরিকল্পনা প্রণয়নে মূল ভূমিকা ছিল মার্টিন হেসের, যে প্রকৃতপক্ষে আবওয়েরের একজন মেজর।

মার্টিন হেস চরিত্রে রুশ অভিনেতা মিখাইল পোরেচেঙ্কভ; Source: Silent Hill

তাদের পরিকল্পনা ছিল, সোভিয়েত–নিয়ন্ত্রিত ভূমিতে একদল জার্মান কমান্ডো প্রেরণ করা হবে, যারা মস্কোয় অনুপ্রবেশ করে সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী জোসেফ স্তালিনকে খুন করবে। এর ফলে যুদ্ধের এই চরম মুহূর্তে সোভিয়েত হাই কমান্ডে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হবে, সোভিয়েত শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দেবে এবং সোভিয়েত সৈন্যদের ও জনসাধারণের মনোবল লোপ পেয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জার্মানরা মস্কো দখল করে নেবে এবং যুদ্ধে বিজয় লাভ করবে। জার্মান গুপ্তচরদের জানা ছিল, জার্মান সৈন্যরা মস্কোর নিকটবর্তী হওয়ায় সোভিয়েত সরকারকে মস্কো থেকে পূর্ব দিকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। স্তালিনেরও মস্কো থেকে সরে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হেসের ধারণা ছিল, একরোখা স্তালিন শেষ পর্যন্ত মস্কো ত্যাগ করবেন না। এজন্য যখন স্তালিন মস্কোর রেল স্টেশন থেকে শহরে তার বাসভবনে ফিরবেন, তখনই জার্মান কমান্ডোরা তার ওপর আক্রমণ চালাবে।

কিন্তু বেরেঝনয় নিজস্ব গুপ্তচরের মাধ্যমে জার্মানদের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পারে, এবং রেল স্টেশনটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করে। এর ফলে শেষ মুহূর্তে এসে জার্মান কমান্ডোরা স্তালিনকে খুন করতে ব্যর্থ হয়। এই ব্যর্থতায় ক্ষিপ্ত হয়ে হেস নিজেই ‘ব্র‍্যান্ডেনবার্গ–৮০০’ নামক একটি এলিট কমান্ডো দল নিয়ে সোভিয়েত–নিয়ন্ত্রিত ভূমিতে অনুপ্রবেশ করে, এবং সেখানে ছদ্মপরিচয়ে অবস্থান করতে থাকে। একটি বিধ্বস্ত জার্মান যুদ্ধবিমান সম্পর্কে তদন্ত করতে গিয়ে বেরেঝনয় জার্মানদের পরিকল্পনা আঁচ করতে পারে, কিন্তু বিশাল সোভিয়েত ইউনিয়নের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে সে কীভাবে লুকিয়া থাকা জার্মান কমান্ডোদের খুঁজে বের করবে? ইতোমধ্যে একদিকে হেস সোভিয়েত ইউনিয়নের অভ্যন্তরে রক্তাক্ত অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড আরম্ভ করে, অন্যদিকে বেরেঝনয় এক জটিল চক্রের ঘূর্ণিপাকে আবর্তিত হতে থাকে।

প্রতিটি পদক্ষেপে সে বুঝতে পারে, জার্মানরা তার চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে। হেস এনকেভিডিকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিভিন্ন সুচতুর পন্থা অবলম্বন করে। তদুপরি, বেরেঝনয়ের নিজের সংস্থার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে বিশ্বাসঘাতক; এনকেভিডি প্রধান লাভ্রেন্তি বেরিয়া ব্যক্তিগত কারণে বেরেঝনয়কে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছেন; স্তালিনীয় শাসনব্যবস্থায় বেরেঝনয়ের সত্যিকার মিত্র বলতে কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে তাকে কার্যত জার্মান কমান্ডোদের ছায়ার সঙ্গে লড়াই করতে হয়, এবং একে একে নিজের ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের সে এই যুদ্ধে হারাতে থাকে। শুধু তা-ই নয়, বেরেঝনয় ক্রমেই আকৃষ্ট হয়ে পড়ে পলিনা সেরেব্রিয়াকোভার প্রতি, যে একইসঙ্গে লাস্যময়ী ও রহস্যময়ী…।

ক্যাপ্টেন ইভান বেরেঝনয় এবং পলিনা সেরেব্রিয়াকোভার চরিত্রে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে আলেক্সান্দর দোমোগারভ এবং একাতেরিনা ভিলকোভা; Source: Vokrug TV

এভাবে এগিয়ে চলে রুশ ডিটেক্টিভ মিনি–সিরিজ ‘উবিৎ স্তালিনা’ (রুশ: Убить Сталина)। বাংলায় মিনি–সিরিজটির শিরোনামের মর্মার্থ দাঁড়ায় ‘স্তালিনকে খুন করতে’ (To Kill Stalin)। ৮ পর্বের এই উত্তেজনাপূর্ণ মিনি–সিরিজটি ২০১৩ সালে প্রথম প্রচারিত হয়। রুশ পরিচালক সের্গেই গিঞ্জবুর্গের সুদক্ষ পরিচালনায় সিরিজটি রুশ থ্রিলার জগতের একটি ক্লাসিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (বা রুশ পরিভাষায় ‘দেশপ্রেমিক মহাযুদ্ধে’) সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ে সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা ‘এনকেভিডি’র যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল, এবং এই মিনি–সিরিজকে তাদের সেই অবদানের প্রতি একটি অর্ঘ্য হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

মিনি–সিরিজটিতে এনকেভিডি ক্যাপ্টেন ইভান বেরেঝনয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলেক্সান্দর দোমোগারভ। বেরেঝনয়ের জার্মান প্রতিদ্বন্দ্বী আবওয়ের মেজর মার্টিন হেসের চরিত্রকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন রুশ অভিনেতা মিখাইল পোরেচেঙ্কভ। আর বেরেঝনয়ের লাস্যময়ী ও রহস্যময়ী প্রেমিকা পলিনা সেরেব্রিয়াকোভার চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলেছেন রুশ অভিনেত্রী একাতেরিনা ভিলকোভা। আনাতোলি দজিভায়েভ এবং আদাম বুলগুচেভ যথাক্রমে সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী জোসেফ স্তালিন এবং এনকেভিডি প্রধান লাভ্রেন্তি বেরিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

‘উবিৎ স্তালিনা’ মিনি–সিরিজটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রকৃত পরিস্থিতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। সিরিজটির কেন্দ্রীয় চরিত্র বেরেঝনয় হলিউডের কোনো চলচ্চিত্রের সুপারহিরোদের মতো নয়। সে একজন সাধারণ তদন্ত কর্মকর্তা, যে অন্যান্যদের মতোই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, ভুল মানুষে বিশ্বাস করে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে অপটু। কিন্তু সুদৃঢ় মনোবল এবং বিপদের মুখোমুখি অবস্থায় ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার ক্ষমতা তাকে শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখে। অন্যদিকে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী হেস নাৎসি সমাজব্যবস্থার একজন আদর্শ প্রতীক। সাফল্যের জন্য যেকোনো চরম পন্থা অবলম্বন করতে সে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না, এবং শত্রু–মিত্র কারো প্রতিই তার বিন্দুমাত্র মমত্ববোধ নেই। কার্যত হেস–বেরেঝনয় দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে তদানিন্তন জার্মান–সোভিয়েত দ্বন্দ্বকেই প্রচ্ছন্নভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।

সিরিজে এনকেভিডি প্রধান বেরিয়া সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী স্তালিনকে বেরেঝনয়ের মৃত্যু সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন; Source: Rusky Film

মিনি–সিরিজটি থেকে স্তালিনের অধীনে সোভিয়েত ইউনিয়নের শাসনব্যবস্থা কেমন ছিল, সেটির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সিরিজটির এক পর্যায়ে বেরিয়া মন্তব্য করেন, ‘জার্মানরা নিজেদের লোক হারাতে অপছন্দ করে। এইজন্যই আমরা এই যুদ্ধে জিতব!’ এর মধ্য দিয়ে সেসময় সোভিয়েত সরকারের কাছে তাদের জনসাধারণের প্রাণের যেকোনো মূল্য ছিল না বললেই চলে, সেই ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আবার, বেরেঝনয় একজন বিশ্বস্ত অফিসার হওয়া সত্ত্বেও কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বেরিয়া তাকে নিশ্চিহ্ন করার নির্দেশ দেন, এবং স্তালিনকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে জানান, জার্মান কমান্ডোদের সঙ্গে লড়াইয়ে বেরেঝনয়ের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্য দিয়ে কর্তৃত্ববাদী সোভিয়েত শাসন ব্যবস্থায় সোভিয়েত শীর্ষ নেতাদের তাদের অধস্তনরা যেভাবে বিভ্রান্ত করত, সেই বিষয়টির ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

বেরেঝনয় কেবল অন্য একজন সোভিয়েত জেনারেলের সহায়তার ফলেই বেরিয়ার প্রকোপ থেকে বেঁচে যায়। এর মধ্য দিয়ে তখনকার সোভিয়েত শাসকশ্রেণির মধ্যে যে সূক্ষ্ম ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলত, সেটি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। সিরিজে ক্রমেই বেরেঝনয় অনুধাবন করতে পারে, কঠোর বস্তুবাদী স্তালিনীয় ব্যবস্থায় সে মূলত একা, তার কোনো সত্যিকার মিত্র নেই, এবং তার সবচেয়ে কাছের মানুষরাও নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। একপর্যায়ে তিক্ত বেরেঝনয় বলেই ফেলে, ‘এখন আর আমি নিজেকেও বিশ্বাস করি না!

সামগ্রিকভাবে, ‘উবিৎ স্তালিনা’ মিনি–সিরিজটি একদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত একটি অনন্য থ্রিলার, অন্যদিকে পরোক্ষভাবে এটি ১৯৩০ ও ১৯৪০–এর দশকের সোভিয়েত সমাজ ও শাসন ব্যবস্থার নির্মোহ প্রতিচ্ছবি। বলাই বাহুল্য, সিরিজটি রুশ দর্শকদের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, এবং সেজন্য বাণিজ্যিকভাবেও একে অসফল বলা চলে না।

This is a Bengali review article about 'To Kill Stalin', a Russian mini-series.

Source of the featured image: ivi

Related Articles