যুদ্ধবিগ্রহের সাথে ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যা, লুন্ঠনের মতো শব্দগুলো যেমন অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে, তেমনি এর সাথে একই সময়ে উচ্চারিত হওয়া আরেকটি শব্দ হলো ‘মাদকদ্রব্য’। সেই ভাইকিংদের থেকে শুরু করে নেপোলেনীয় যুদ্ধ, আমেরিকার গৃহযুদ্ধ, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইত্যাদি নানা যুদ্ধের এক অবিচ্ছেদ্য অংশরুপে ছিলো নানা ধরনের মাদকদ্রব্য। যুদ্ধ ও মাদকদ্রব্যের অবিচ্ছেদ্য সেই ঐতিহাসিক সম্পর্ক নিয়েই চলুন জেনে নেয়া যাক আজ।

অ্যাডলফ হিটলার এবং ডাক্তার থিওডোর মোরেল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কথা। জার্মান বাহিনী তখন বেশ দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলেছে। ওদিকে তাদের নেতা অ্যাডলফ হিটলারের ভগ্নস্বাস্থ্যের দেখাশোনা করছেন থিওডোর মোরেল নামক চিকিৎসক।

পেট ফাঁপার সমস্যাটা বেশ ভালোই ভোগাচ্ছিলো হিটলারকে। এজন্য মোরেল তাকে ‘Dr. Kuster’s Anti-Gas pill’ খেতে দিতেন যাতে ব্যবহৃত হতো স্ট্রাইকনিন নামক একপ্রকার বিষাক্ত, বর্ণহীন, তিতা রাসায়নিক পদার্থ। এছাড়াও গ্লুকোজ, বার্বিচুরেট নামক মাদক, শূকরের যকৃতের নির্যাস এবং ষাঁড়ের অন্ডকোষ থেকে তৈরি একপ্রকার ক্যাপসুলও তাকে খেতে দেয়া হতো। এসব ছাড়া তার শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাটা বেশ কঠিনই হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। আর এ কাজগুলোই বেশ নিষ্ঠা ও সফলতার সাথে পালন করতেন ডাক্তার মোরেল। এজন্য ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেছিলেন হিটলারের খুব কাছের মানুষদের একজন।

১৯৪১ সালে হিটলার বেশ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাকে সুস্থ করতে মোরেল মাদকদ্রব্যকেই বেছে নিয়েছিলেন। ‘এ’ ক্যাটাগরির পেশেন্ট হিটলারকে দেয়া হতো আফিমযুক্ত মাদক ইউকোডাল (অক্সিকোডন), যেটিকে হিরোইনের সমগোত্রীয় বলেই ধরা হয়ে থাকে। এই ইউকোডালই হিটলারের মানসিক আনন্দের অন্যতম উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছিলো তখনকার দিনগুলোতে।

১৯৪৪ সালে এক বিষ্ফোরণ থেকে ভাগ্যগুণে বেঁচে গিয়েছিলেন হিটলার। তখন তার আঘাত সারাতে আরেকজন চিকিৎসক কোকেনের ড্রপ ব্যবহার করতেন। অল্প কিছুদিনের মাঝেই হিটলার কোকেনে আসক্ত হয়ে পড়লে আবারো দৃশ্যপটে আবির্ভূত হন মোরেল। তিনি হিটলারের প্রতিদিনকার ওষুধে দ্বিগুণ পরিমাণে কোকেন মিশিয়ে দিতেন।

মোরেল হিটলারকে এত বেশি পরিমাণে ইনজেকশন দিচ্ছিলেন যে, সবাই তাকে ‘The Reichsmaster of Injections’ নামে ডাকতে শুরু করে দেয়। তার কাগজপত্র ঘেটে জানা যায় যে, হিটলারকে মোট ৭৪ রকমের ওষুধ দিয়েছিলেন তিনি! এর মাঝে মাদকদ্রব্যের ভূমিকাও ছিলো উল্লেখযোগ্য। ১,৩৪৯ দিন সময়কালে মোট ৮০০টি ইনজেকশন দেয়া হয়েছিলো হিটলারকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অ্যাম্ফেটামিন ও ক্রিস্টাল মেথ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অ্যাম্ফেটামিনের ব্যবহার অনেক বেড়ে গিয়েছিলো। মূলত সজাগ থাকা, নিজেদের চাঙ্গা রাখা এবং ক্ষুধার পরিমাণ কমানোর জন্য সৈন্যরা এগুলো গ্রহণ করলেও এর পাশাপাশি তারা এতে ধীরে ধীরে আসক্ত হয়ে পড়েছিলো। ফলে অযথা বিভিন্ন দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে বোকামি করা কিংবা অযথা উত্তেজনা দেখানোর মতো ব্যাপারগুলো তাদের মাঝে প্রকাশ পাচ্ছিলো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ও আমেরিকান সৈন্যরা অ্যাম্ফেটামিন ভিত্তিক বেঞ্জেড্রিন গ্রহণ করতো। নাৎসি বাহিনীর মাঝেও এ নেশা মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিলো। তারা পার্ভিটিন নামে এক প্রকার মাদকদ্রব্য গ্রহণ করতো যা আসলে ক্রিস্টাল মেথকে বোতলে ভরে প্রস্তুত করা হতো। এর ফলে সুখ, অতিরিক্ত কর্মক্ষমতা, শারীরিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাওয়ার মতো এক মিথ্যা অনুভূতির জগতে চলে যেত তারা। পাশাপাশি ক্ষুধাও কম লাগতো তাদের। এমনকি জার্মান গৃহবধূরাও চকোলেট খাওয়ার সময় এর উপরে ক্রিস্টাল মেথ ছড়িয়ে তারপরই খাওয়ার কাজটা শুরু করতো বলে জানা যায়।

তবে এ মাদকদ্রব্যটির উদ্ভাবনের মূল কৃতিত্ব কিন্তু জাপানের। ১৯১৯ সালে তারা এটা উদ্ভাবন করেছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপানি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানী দাইনিপ্পন সুমিতোমো ‘ফিলোপন’ নাম দিয়ে এ ক্রিস্টাল মেথ বিপুল পরিমাণে বাজারে ছেড়েছিলো। তাদের লক্ষ্য ছিলো সৈনিকদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এর প্রতি আসক্ত করে তোলা।

স্নায়ু যুদ্ধ ও এলএসডি

মানসিক অবস্থা পরিবর্তনে সক্ষম রাসায়নিক পদার্থগুলোর মাঝে অন্যতম শক্তিশালী হলো এলএসডি। বর্ণ ও গন্ধহীন এ জিনিসটি স্বাদে কিছুটা তিতা। এর ব্যবহারকারীরা প্রায় বারো ঘন্টা সময় ধরে যেন এক অন্য জগতে চলে যায়, যা তাদের কাছে ঠেকে স্বপ্নের মতোই।

স্নায়ু যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমগুলো হঠাৎ খবর প্রকাশ করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও সেনাবাহিনীকে স্থবির করে দিতে সোভিয়েত বাহিনী এলএসডি স্প্রে বানাচ্ছে! এবার যেন টনক নড়লো আমেরিকার সরকারের। তারা ভাবলো যে, তাদের সবচেয়ে প্রশিক্ষিত ও শৃঙ্খলিত বাহিনীটিকেও বুঝি এলএসডির প্রভাবে কাবু করে ফেলা সম্ভব। এ আতংক থেকেই তারা এলএসডি নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিলো।

১৯৫৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত শত শত সুস্থ সেনার উপর তাই এলএসডি, মারিজুয়ানা, মেস্কালিন, সাইলোসাইবিন এবং অন্যান্য আরো প্রায় দুই ডজন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পরীক্ষা চালালো যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। বিভিন্ন পার্টিতে সুস্থ সেনাদের ককটেলের সাথে এবং বিভিন্ন ইউনিটের সেনাদের পানিতে পরীক্ষামূলকভাবে মিশিয়ে দেয়া হতো সেসব রাসায়নিক। কোনো কোনো সৈন্য এতে কোনো শারীরিক প্রতিক্রিয়া না দেখালেও অনেকেই এতে আক্রান্ত হয়েছিলো। আক্রান্ত সৈন্যরা শুরুতে বেশ প্রাণোচ্ছ্বল আচরণ করলেও কিছুক্ষণ পরেই তাদের মাঝে মারাত্মক বিষণ্নতা দেখা দিতো, শারীরিকভাবেও তারা হয়ে পড়তো নিস্তেজ।

ভাইকিংদের ম্যাজিক মাশরুম

এককালে হত্যা, লুন্ঠন আর ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে ইউরোপে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো ভাইকিংরা। স্থানীয় লোকেরা তখন স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতো, “হে ঈশ্বর! উত্তরের লোকগুলোর উন্মত্ততা থেকে আমাদের রক্ষে করো।” অনেকেই ভাবতো যে, ভাইকিংরা বুঝি নর্সদের প্রধান দেবতা ওডিনের সরাসরি আশীর্বাদপুষ্ট যা তাদের অনেক শক্তিশালী করে তুলতো, ব্যথার অনুভূতি লাঘব করে দিতো এবং ক্রোধোন্মত্ত যোদ্ধায় পরিণত করতো।

তবে এর পেছনে যে, দেবতা ওডিনের আশীর্বাদ জাতীয় কিছু ছিলো না তা তো সহজেই অনুমেয়। প্রকৃতপক্ষে তারা বিশেষ একপ্রকার মাশরুম খেত যার নাম ‘Amanita muscaria’। অধিক পরিমাণে খেলে এই মাশরুমে থাকা রাসায়নিক পদার্থ তাদের দেহে উত্তেজক পদার্থ সরবরাহ করতো যা তাদেরকে সেসব অমানবিক কাজকর্ম নির্দ্বিধায় করতে উৎসাহিত করতো। তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তিও তখন অনেক গুণ বেড়ে যেত। যোদ্ধারা অবশ্য মনে করতো যে, এই মাশরুম সরাসরি ওডিনের কাছ থেকেই আগত।

অ্যালকোহল ও নেপোলেনীয় যুদ্ধ

১৮০৩ থেকে ১৮১৫ সাল পর্যন্ত চলা নেপোলেনীয় যুদ্ধের এক পক্ষে ছিলো সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসী সাম্রাজ্য এবং অপর পক্ষে ছিলো ইউরোপের অন্যান্য মিলিত শক্তি যাদের নেতৃত্ব ও অর্থায়নে ছিলো মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্য। এ যুদ্ধগুলোর সময় সৈন্যদের বিভিন্ন রোগের হাত থেকে মুক্ত রাখতে এবং মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে তাদের জন্য নিয়মিতভাবে অ্যালকোহলের বরাদ্দ ছিলো। অনেক সৈন্য এক বসাতেই তাদের এক মাসের উপার্জন শেষ করে ফেলতো সেসব মদের পেছনে। অফিসারদের প্রতি নির্দেশ ছিলো যেন তারা মাতাল সৈন্যদের এড়িয়ে চলেন কেননা সেই মাতাল সৈন্যরা প্রায়ই তাদের অফিসারদের আক্রমণ করে থাকতো।

মরফিন ও আমেরিকার গৃহযুদ্ধ

আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ‘ওয়ান্ডার ড্রাগ’ খেতাব পাওয়া মরফিন নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবচ্ছেদ করা, আহতদের জন্য পেইনকিলার হিসেবে এবং ডায়রিয়া প্রতিরোধে ব্যবহৃত হতো এটি। সুস্থ হবার পরও অনেক সেনা তাদের ব্যথা উপশমের জন্য মরফিন ব্যবহার করতো। যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে যাওয়া সৈন্যদের মাঝে প্রায় ৪,০০,০০০ এতে আসক্ত হয়ে পড়েছিলো। এজন্য অনেকেই একে ‘সৈন্যদের অসুখ’ বলতো। উনিশ শতকের শেষে আমেরিকায় মরফিনে আসক্তের সংখ্যা প্রায় দশ লাখের ঘরে গিয়ে ঠেকেছিলো।

তামাক ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

গৃহযুদ্ধের সময় মরফিনের ঘটনা ভালোই শিক্ষা দিয়েছিলো আমেরিকান সরকারকে। তাই পরবর্তীতে তারা যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সম্পৃক্ত হলো, তখন তারা এর ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণারোপ করেছিলো। কিন্তু একদিকে লাগাম টেনে ধরলেও অন্যদিকে ঠিকই তারা লাগাম ছাড়া হয়ে উঠেছিলো। আর সেটি হলো তামাক অর্থাৎ সিগারেটে আসক্তি।

যুদ্ধের আগে তামাকের মূল জনপ্রিয়তা ছিলো অভিজাত শ্রেণীর কাছে। কিন্তু সেনাবাহিনী একসময় বুঝতে পারে যে, যুদ্ধরত সেনাদের স্নায়বিক উত্তেজনা প্রশমিত করতে তামাক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তাই তারা তামাক কোম্পানিগুলোর সাথে চুক্তি করলো যেন প্রত্যেক সেনাই বিনামূল্যে ধূমপানের সুযোগ পায়। তাদের মিলিটারি রেশনের একটা অংশই ছিলো তখন সিগারেট। যুদ্ধ শেষে দেখা গেলো, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর জন্য দৈনিক প্রায় ১.৪ কোটি সিগারেটের প্রয়োজন হচ্ছে!

স্পিড ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

স্পিড (মেটাঅ্যাম্ফিটামিন) এক ধরনের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজককারী রাসায়নিক পদার্থ যা কিনা অ্যাম্ফিটামিনের সাথে সম্পর্কিত। সাদা, গন্ধহীন, পানি বা অ্যালকোহলে দ্রবণীয় ও তিতা স্বাদের এ পদার্থটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অবশ্য অ্যাম্ফিটামিনের চেয়েও বেশি।

একঘেয়েমি কাটানো, ব্যথার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া, স্নায়বিক উত্তেজনা প্রশমিতকরণ প্রভৃতি কারণে গত শতকের চল্লিশের দশকের দিকে সামরিক বাহিনীগুলোর কাছে বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছিলো। সবশেষে এ চাহিদার তালিকায় যুক্ত হলো দীর্ঘ সময় ধরে জেগে থাকার মতো বিষয়টি। এজন্য আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, জাপান ও জার্মানির সেনারা ব্যাপকভাবে স্পিডের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে লাগলো। জানা যায় যে, শুধুমাত্র আমেরিকার সেনাবাহিনীই এ মাদকদ্রব্যের বিশ কোটি ট্যাবলেট সরবরাহ করেছিলো!

ইরাক যুদ্ধ (২০০৩-২০১১)

The number of Soldiers abusing prescription drugs is low — very low. And the Army just signed a contract to develop a marketing campaign that will help keep that number low.

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ড্রাগ অ্যাবিউজের তথ্যমতে, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালে দেশটির সেনাসদস্যদের মাঝে ড্রাগ ব্যবহারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিলো প্রায় দ্বিগুণ। ২০০৫ থেকে ২০০৮, এই তিন বছরে সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় তিনগুণে। তবে অনেকের মতে, এদের মাঝে আমেরিকান সেনাদের পাশাপাশি ইরাকী পুলিশ বাহিনীর সদস্যও ছিলো। আর্টেন নামক যে ড্রাগটি তারা ব্যবহার করতো তা মূলত পার্কিনসন ডিজিজের নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু তারা এটি ব্যবহার করতো শক্তি ও উদ্যম ফিরে পাবার আশায়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাক্তার জানিয়েছিলেন, “তারা ভয় ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতেই এটি নিয়ে থাকে, যেন তারা দরজা ভেঙে অন্যের ঘরে ঢুকতে কোনো দ্বিধাবোধ না করে।”

This article is in Bangla Language. It's about drug and warfare.

References:

  1. drugs.com/illicit/speed.html
  2. drugfreeworld.org/drugfacts/lsd.html
  3. drugfreeworld.org/drugfacts/crystalmeth.html
  4. thefix.com/content/10-wars-and-drugs-defined-them7413
  5. listverse.com/2017/05/23/top-10-facts-about-drugs-and-warfare/

Featured Image: wallpapermemory