গ্রীক পুরাণের নায়ক হারকিউলিস ছিলেন এক বীরযোদ্ধা। গ্রীক পুরাণের সর্বশ্রেষ্ঠ বীর হেরাক্লেসের ল্যাটিন নাম হারকিউলিস, বিশ্বসাহিত্যেও তিনি এই নামেই বেশি পরিচিত। সাহস, শক্তি, বুদ্ধিমত্তা সবদিক থেকে তিনি দুর্দান্ত এক ব্যক্তিত্ব। দেবতা এবং মর্ত্যের বীর- দুই পরিচয়েই তিনি গ্রীকদের কাছে পরম পূজনীয়। সারাজীবনে অসংখ্য অভিযানের মুখোমুখি হতে হয় তাকে, এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর বারোটি অভিযান ‘টুয়েলভ লেবারস অফ হারকিউলস’ নামে সমাদৃত। সেই বারো অভিযানের প্রথম ছ’টি প্রকাশিত হয়েছিল আগের পর্বে, এবার শেষ ছ’টি অভিযানের গল্প নিয়ে সাজানো হলো হারকিউলিসের অভিযান সিরিজের শেষ পর্ব।

সপ্তম অভিযান- ক্রিট দ্বীপের ষাঁড়কে (ক্রেটান বুল) ধরে আনা

রাজা ইউরেস্থিউস হারকিউলিসকে ষষ্ঠ চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রিসের আর্কাডিয়া অঞ্চলে অবস্থিত স্টিম্ফ্যালিয়া হ্রদে বসবাসরত পাখির দলকে হত্যা করতে বলেন। যথারীতি সাফল্যের সাথে ষষ্ঠ অভিযান শেষ করে হারকিউলিস ফিরে এলেন মাইসিন রাজ্যে। ক্রোধ আর ঈর্ষায় ফুঁসতে থাকা ইউরেস্থিউস তাকে সপ্তম পরীক্ষা হিসেবে ক্রীট দ্বীপের বিখ্যাত ষাঁড় ক্রেটান বুলকে ধরে আনতে বলেন।

রাজা মাইনস সমুদ্রদেবতা পোসাইডনের কাছ থেকে ক্রেটান বুল উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি পোসাইডনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ষাঁড়টি বলি দিয়ে দেবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় রানী প্যাসিফি সমুদ্রদেবের অভিশাপে ষাঁড়টির সাথে মিলনে আবদ্ধ হয়ে বিখ্যাত দানব মিনোটরের জন্ম দেন। মাইনস ষাঁড়টিকে একটি গোলকধাঁধায় আটকে রাখেন এবং প্রতি বছরে একবার করে অ্যাথেন্স থেকে কয়েকজনকে বন্দী করে নিয়ে তার সামনে খাবার হিসেবে হাজির করতেন।

ক্রিট দ্বীপের ষাঁড়; Source: pinimg.com

হারকিউলিস খুব সহজেই যুদ্ধে ক্রেটান বুলকে পরাজিত করে ঘাড়ের উপর চাপিয়ে নিয়ে ইউরেস্থিউসের সামনে হাজির হন। রাজার নির্দেশে ষাঁড়টিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সারা শহরে এক ধরনের ত্রাস সৃষ্টি করে অ্যাথেন্সের নিকটবর্তী ম্যারাথন শহরে গিয়ে থামে সে। বহু বছর পরে থিসিউস এই ষাঁড়টির কবল থেকে এথেন্সকে রক্ষা করেন।

অষ্টম অভিযান- ডায়োমিডিসের মাদি ঘোড়া চুরি করা

বীরত্বের সাথে সপ্তম অভিযান শেষ করার পর শুরু হয় হারকিউলিসের অষ্টম পরীক্ষা। ইউরেস্থিউস এবার থ্রেসের রাজা ডায়োমিডিসের নরমাংসভোজী ঘোটকদের ধরে আনার নির্দেশ দিলেন হারকিউলিসকে। ডায়োমিডিস তার ঘোড়াগুলোকে নরমাংস খাইয়ে খাইয়ে হিংস্র ও দুর্ধর্ষ করে তুলেছিল। হারকিউলিস তার বন্ধু ও সঙ্গী অ্যাবডেরাসকে সাথে নিয়ে থ্রেসে পৌঁছুলে ডায়োমিডিস তার ঘোড়াগুলো অ্যাবডেরাসের পেছনে লেলিয়ে দেয়। ফলে শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করে অ্যাবডেরাস। পরবর্তীতে অ্যাবডেরাসের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখার জন্য অ্যাবডেরা শহর নির্মাণ করেন হারকিউলিস।

নরমাংসভোজী ঘোটকদের সাথে যুদ্ধরত হারকিউলিস; Source: ancient-origins.net

প্রিয় সঙ্গীর এই আকস্মিক ও অনাহূত মৃত্যুতে অত্যন্ত ক্রুব্ধ হয়ে ওঠেন হারকিউলিস। অ্যাবডেরাসের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ডায়ামিডিসকে হত্যা করেন তিনি। এরপর তার মৃতদেহ ফেলে দেন নরমাংসখেকো ঘোড়াগুলোর সামনে। মুহূর্তের মধ্যেই নিজেদের পালককে খেয়ে সাবাড় করে ফেলে জন্তুগুলো। আর চোখের সামনে ডায়োমিডিসকে হত্যা করা হারকিউলিসকে দেখে তার কাছেই বশ্যতা স্বীকার করে ঘোড়াগুলো।

হারকিউলিস ইউরেস্থিউসের সামনে ঘোড়ার দল নিয়ে হাজির হলে আগেরবারের ক্রেটান বুলের মতো এই ঘোড়াগুলোকেও তিনি ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। ছাড়া পেয়ে ঘোড়াগুলো বিভ্রান্তের মতো ছুটতে থাকে। পরবর্তীতে অ্যাথেন্সের পথে যাওয়ার সময় অলিম্পাস পর্বতমালা অতিক্রম করার মুহূর্তে বন্যজন্তুদের আক্রমণে মারা যায় ঘোড়াগুলো।

নবম অভিযান- অ্যামাজনদের (বিখ্যাত নারী যোদ্ধার দল) রাণী হিপোলিটার কোমরবন্ধনী সংগ্রহ

ইউরেস্থিউসের কন্যা অ্যাডমিটি অ্যামাজন রানী হিপোলিটার বিখ্যাত কোমরবন্ধনী পাওয়ার জন্য বাবার কাছে আবদার করলে ইউরেস্থিউস কাজটি সুন্দর করে হারকিউলিসের উপরে চাপিয়ে দেন। না, এটি কোনো সাধারণ কোমরবন্ধনী ছিল, না সাধারণ কোনো যোদ্ধার সামগ্রী ছিল। অ্যামাজনরা ছিল দুর্ধর্ষ এক যোদ্ধাদল, তীর ছুঁড়তে সুবিধা হবে বলে তারা ডান স্তন কেটে ফেলত। পুরুষদের সংস্পর্শ বিবর্জিত এই দলটির কোনো যোদ্ধা যদি গর্ভবতী হয়ে পড়ত, তবে বাচ্চা জন্ম দেয়ার পরে শুধুমাত্র মেয়ে বাচ্চাকেই মায়ের সাথে রাখা হতো যাতে তারা পরবর্তীতে যোদ্ধা হতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের পাঠিয়ে দেয়া হতো মায়ের কাছ থেকে দূরে, অ্যামাজনদের কাছ থেকে আলাদা জগতে।

রাণী হিপোলিটার কোমর বন্ধনী; Source: deviantart.net

অ্যামাজনদের মধ্যে সেরা যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধদেবতা অ্যারেসের কাছ থেকে একটি চামড়ার তৈরি কোমরবন্ধনী উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন অ্যামাজনদের রানী হিপোলিটা। জিনিসটি সারাক্ষণ নিজের কাছে রাখতেন তিনি, এমনকি যুদ্ধের সময়ও কাছছাড়া করতেন না উপহারটি। আর সেই কোমর বন্ধনী সংগ্রহ করার দায়িত্ব দেয়া হলো হারকিউলিসকে! বহু পথ অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত অ্যামাজনে পৌঁছান তিনি। তার আগমনের খবর পেয়ে নিচে নেমে আসেন হিপোলিটা। হারকিউলিস তাকে আগমনের প্রকৃত কারণ খুলে বলেন। হিপোলিটা তাকে কোমর বন্ধনী দিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

কিন্তু হারকিউলিস একের পর এক যুদ্ধ জয় করবে আর হেরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে, তাই কি হয়? কাজেই হেরা এবার এক অ্যামাজন যোদ্ধার ছদ্মবেশে অ্যামাজনদের কাছে হাজির হয়ে গুজব রটিয়ে দেন হারকিউলিস নাকি হিপোলিটাকে হত্যা করতে এসেছে। তৎক্ষণাৎ রণসাজে সজ্জিত হয়ে রাণীকে বাঁচাতে ছুটে আসে সৈন্যরা। উপয়ান্তর না দেখে হারকিউলিস তাড়াতাড়ি হিপোলিটাকে হত্যা করে তার কোমরবন্ধনী খুলে নিয়ে মাইসিনের পথে পা বাড়ান। এই অভিযান শেষে এথেন্স প্রত্যাবর্তনের পথে ট্রয়ের রাজা লাওমীডনের কন্যা হেসিওনকে উদ্ধার করেন হারকিউলিস।

দশম অভিযান- গেরিয়ন নামক দানবের গবাদি পশুর দল ধরে আনা

আগের নয়টি পরীক্ষার চেয়ে দশম পরীক্ষাটি আরও কঠিন হয়ে দেখা দিল হারকিউলিসের সামনে। ইউরেস্থিউস এবার তাকে আদেশ দিলেন গেরাইয়নের লাল রঙা ষাঁড়ের পালকে বশীভূত করে অ্যাথেন্সে নিয়ে আসতে হবে। গেরাইয়ন ছিল গর্গন মেডুসার কাটা কণ্ঠনালী থেকে উদ্ভুত দানব ক্রাইসেয়রের পুত্র। গেরাইয়নের ছিল তিনটি মাথা এবং তিন জোড়া পা। আর সেই সাথে ছিল বিশাল পাখা।

গেরাইয়ন থাকতো পৃথিবীর একদম অপর প্রান্তের এক দ্বীপে, যার নাম এরিথিয়া। তার লালরঙা ষাঁড়ের পাল পাহারা দিত টাইফন ও একিদনার পুত্র, দুই মাথাওয়ালা কুকুর ওরথাস। হারকিউলিস এরিথিয়ায় পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ওরথাস তাকে আক্রমণ করে বসে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে হারকিউলিস গেরাইয়ন এবং ওরথাসকে হত্যা করে ষাঁড়ের পালকে গ্রীসে নিয়ে আসে। ষাঁড়গুলোকে গ্রীসে নিয়ে যাওয়ার তুলনায় তাদের দখল নেয়া রীতিমতো সোজা ছিল। পথিমধ্যে সমুদ্রদেব পোসাইডনের দুই পুত্র ষাঁড়গুলোকে চুরি করার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়ে হারকিউলিস তাদের মেরে ফেলে। এছাড়া একটি ষাঁড় পালিয়ে চলে যায় ইটালিতে। সেই ষাঁড়কে উদ্ধার করতে গিয়ে হারকিউলিসকে নামতে হয় মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতায়, পরপর তিনবার হারাতে হয় এরিক্সকে, তবেই তিনি সবগুলো ষাঁড় নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন। ইউরেস্থিউসের কাছে নিয়ে আসা হলে ষাঁড়গুলো তিনি দেবী হেরার নামে বলি দেন।

গেরিয়নের গবাদিপশুর দলের সাথে হারকিউলিস; Source: pinimg.com

আগের পর্বে বলা হয়েছে, হারকিউলিসের উপর প্রতিশোধ নিতে দেবী হেরা এই ইউরেস্থিউসের জন্ম তাড়াতাড়ি ঘটিয়ে দিয়েছিলেন। ইউরেস্থিউস হারকিউলিসকে অত্যন্ত ঈর্ষা করতো। তার আজব খেয়াল মেটাবার জন্যই হারকিউলিসকে বারোটি বিপদসংকুল অ্যাডভেঞ্চার করতে হয়। ইউরেস্থিউস আসলে হারকিউলিসকে দশটি কাজ করতে দিয়েছিলেন, কিন্তু হারকিউলিস যখন কাজগুলো শেষ করলেন, তখন ইউরেস্থিউস দুটো কাজকে মেনে নিলেন না। কাজ দুটো হলো লার্নিয়ার হাইড্রাকে হত্যা আর অজিয়াস নামক স্থান পরিষ্কার করা। কারণ হাইড্রাকে মারার সময় লোলাউস তাকে সাহায্য করেছিলো। আর অজিয়াস পরিষ্কার করার পর হারকিউলিস মজুরি গ্রহণ করেছিলেন। এ দুটো কাজের বদলে তাই ইউরেস্থিউস আরও দুটো কাজ হারকিউলিসের ঘাড়ে চাপিয়ে দেন। ফলে মোট কাজের সংখ্যা দাঁড়ায় বারোটি।

একাদশ অভিযান- হেস্পেরিডিসের আপেল চুরি করা

ইউরেস্থিয়াস এবার হারকিউলিসকে বিপজ্জনক আরেক পরীক্ষার মুখোমুখি ফেলে দিলেন। এবার তাকে হেস্পেরাইডিসদের মায়াকাননের তিনটি স্বর্ণ আপেল এনে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলো। এই বিখ্যাত আপেল তিনটি ধরিত্রীদেবী গায়া জিউস এবং হেরার বিবাহ উৎসবে উপহার দিয়েছিলেন। হেস্পেরাইডিসরা ছিল আপেলগুলোর রক্ষক। হারকিউলিস হেস্পেরাইডিসদের মায়াকাননের অবস্থান পর্যন্ত জানতেন না। কাজেই তিনি শরণাপন্ন হলেন নেরেউসের।

হেস্পেরাইডিসদের মায়াকানন; Source: ferrebeekeeper.com

নেরেউস হারকিউলিসকে মায়াকাননের অবস্থান তো বলে দিলেনই, সাথে আপেল তিনটি পাওয়ার ব্যাপারে তাকে প্রমিথিউসের উপদেশ গ্রহণের পরামর্শও দেন। নেরেউসের পরামর্শ অনুযায়ী, হারকিউলিস ককেশাস পর্বতে বন্দী প্রমিথিউসকে শৃঙ্খলমুক্ত করেন। এরপর প্রমিথিউসের নির্দেশে হারকিউলিস অ্যাটলাসের কাছে যান এবং অ্যাটলাসের সাহায্যে স্বর্ণ আপেলগুলো চুরি করেন। হারকিউলিস অ্যাটলাসের কাঁধের উপর চেপে থাকা আকাশ ও পৃথিবীর ভার নিজের মাথায় বহন করলে অ্যাটলাস তাকে আপেলগুলো এনে দেন। এই অভিযানে আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। অভিযানকালে হারকিউলিস পোসাইডন ও গায়ার পুত্র অজেয় কুস্তীগির আন্তেউসকে হত্যা করেন। শেষপর্যন্ত সোনার আপেলগুলো নিয়ে ইউরেস্থিউসের সামনে হাজির হন তিনি।

দ্বাদশ অভিযান- পাতালের অভিভাবক সারবেরাসকে ধরে নিয়ে আসা

হারকিউলিসের দ্বাদশ এবং সর্বশেষ কাজ ছিল পাতালপুরীর প্রহরী তিন মাথাওয়ালা কুকুর সারবেরাসকে ধরে আনা। ইউরেস্থিউস হারকিউলিসকে নির্দেশ দিলেন, কোনো রকম বল প্রয়োগ না করে কৌশলে সারবেরাসকে ধরে আনতে হবে। পাতালপুরীতে প্রবেশের ব্যাপারে হারকিউলিস অ্যাথিনী এবং হার্মিসের সাহায্য লাভ করেন। তাদের সহায়তায় তিনি পাতালরাজ হেডিসের কাছে গিয়ে সারবেরাসকে মর্ত্যে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেন।

পাতালের অভিভাবক সারবেরাস; Source: perseus.tufts.edu

হেডিসও ইউরেস্থিউসের মতো তাকে নির্দেশ দিলেন, সারবেরাসকে ধরার ব্যাপারে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। হারকিউলিস অনায়াসে হেডিসের সামনেই সারবেরাসের গলা চেপে ধরে তাকে ঘাড়ের উপরে বসিয়ে নিলেন। সারবেরাসকে ঘাড়ে করে হেডিসের কাছ থেকে ফিরে আসা সময় তিনি পাতালপুরীতে শৃঙ্খলিত থিসিউসকে মুক্ত করে দেন। এদিকে সারবেরাসকে দেখে ইউরেস্থিউস অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়েন এবং তার অনুরোধেই হারকিউলিস সারবেরাসকে পুনরায় পাতালপুরীতে রেখে দিয়ে আসেন।

আর এরই মধ্য দিয়ে ডেলফির দৈববাণী অনুযায়ী ইউরেস্থিউসের অধীনে হারকিউলিসের দাসত্ব জীবনের সমাপ্তি ঘটে। হারকিউলিস অ্যাথেন্স থেকে পুনরায় থিবিসে চলে আসেন। স্ত্রীকে মেগারাকে আরেকজনের সাথে বিয়ে দিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন নতুন কোনো অভিযানের সন্ধানে। হারকিউলিসের সেসব অভিযানের কথা বলতে গেলে পাতার পর পাতা লেখা যাবে, কিন্তু হারকিউলিসপ্রেমীদের আগ্রহ ফুরাবে না।

তথ্যসূত্র: খান, ফরহাদ, প্রতীচ্য পুরাণ, প্রতীক (১৯৮৪), পৃষ্ঠা নং: ১৪৩-১৪৫

ফিচার ইমেজ- pinimg.com