ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির সাতকাহন | শেষ পর্ব

(প্রথম পর্বের পর থেকে)

ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম বছরের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী তিন বছরেও ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মিত্র দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করেছেন, এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিভিন্ন চুক্তি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে দেশকে প্রত্যাহার করা অব্যাহত রেখেছিলেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন কৌশলগত নথিপত্র প্রকাশ করে। প্রকাশিত সেসব নথিপত্রে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়াকে অন্যতম কৌশলগত প্রতিযোগী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। ২০১৮ সালের ১লা মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশ থেকে আমদানি করা ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের উপর থেকে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। দেশটি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে চীনের উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করতে শুরু করে।

 

২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স শহরে অনুষ্ঠিত ‘জি টুয়েন্টি’ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং একটি বৈঠকে মিলিত হন; image source: Kevin Lamarque/Reuters

 

একই বছরের ৮ মার্চ উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সাথে বৈঠকের আমন্ত্রণ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করেন। বহুল আলোচিত এই বৈঠক সফল করার জন্য সিআইএ-র তৎকালীন পরিচালক এবং পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কয়েক দফা উত্তর কোরিয়া সফর করেন। ২০১৮ সালের এপ্রিলের শুরুর দিকে চীন মার্কিন পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা করলে একপর্যায়ে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনৈতিক পরাশক্তির মধ্যে সর্বাত্মক ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ শুরু হয়। এরপর দু’পক্ষই আরও কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে, ২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স শহরে অনুষ্ঠিত ‘গ্রুপ অব টুয়েন্টি’ (জি টুয়েন্টি) সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এক বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে দুই নেতা যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে একটি সম্প্রসারিত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ঐক্যমত্য পোষণ করেন।

২০১৮ সালের ৮ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে ইরানের উপর কয়েকটি অবরোধ পুনর্বহাল করেন; image source: Saul Loeb/AFP/Getty Images

 

২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স যৌথভাবে সিরিয়ার ‘রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির লক্ষ্যবস্তুর উপর’ বিমান হামলা পরিচালনা করে। একই বছরের মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের প্রবেশ রুখতে মার্কিন সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয় এবং এই অভিবাসীদের প্রতিহতকরণে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়। ২০১৮ সালের ৮ মে মার্কিন ট্রাম্প ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত চুক্তিতে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে যাওয়া ঘোষণা দেন। একইসাথে, তিনি সেই চুক্তির শর্তানুযায়ী ইরানের উপর থেকে প্রত্যাহার করা কয়েকটি অবরোধ পুনর্বহাল করেন। একই বছরের ১৪ মে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন আরব দেশের পাশাপাশি ইউরোপীয় কয়েকটি দেশও যুক্তরাষ্ট্রের এমন একতরফা পদক্ষেপের সমালোচনা করে।

২০১৮ সালের ১২ জুন সিঙ্গাপুরের সান্তোসা দ্বীপে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন; image source: Jonathan Ernst/Reuters

 

২০১৮ সালের ১২ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কিম জং উন সিঙ্গাপুরের সান্তোসা দ্বীপে ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকের মাধ্যমে বৈরী দেশ দুটোর সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। একই বছরের ১৯ জুন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি ‘ইসরায়েলের বিপক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ’ এর অভিযোগ তুলে ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ’ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেন। ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত বৈঠকে দুই নেতা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, ইউক্রেন সংকট এবং আরও কয়েকটি ইস্যুতে আলোচনা করেন। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ‘উত্তর আমেরিকান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ (নাফটা) এর অংশীদার তিন দেশের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর নতুন চুক্তি হিসেবে ‘United States–Mexico–Canada Agreement’ (USMCA) এর ঘোষণা করেন। নতুন চুক্তির ফলে কানাডা এবং মেক্সিকোর বাজারে পূর্বের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের প্রবেশাধিকার আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সৌদি রাজতন্ত্রের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত দেশটির সাংবাদিক জামাল খাশোগি ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন, এবং পরবর্তীতে খাশোগিকে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যা করা হয়। মার্কিন গোয়েন্দাদের গোপন নথি পর্যালোচনা করে এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নাম উঠে আসলেও ট্রাম্প সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কার্যত কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এমন ভূমিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের নিকট বেশ সমালোচিত হয়। সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। একইসাথে, তিনি আফগানিস্তানে নিযুক্ত কিছু সংখ্যক মার্কিন সেনাও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও ঘোষণা করেন। এমন ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে মতভেদের কারণে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

আর্থিক মঞ্জুরি ও অভিবাসন সংক্রান্ত ইস্যুতে ট্রাম্পের সাথে মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট প্রতিনিধিদের মতবিরোধের কারণে ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে মার্কিন কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রমে অচলাবস্থা বা আংশিক শাট-ডাউন শুরু হয়। প্রায় পঁয়ত্রিশ দিনব্যাপী চলা এই অচলাবস্থা ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং কয়েকটি পশ্চিমা রাষ্ট্র ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘ব্যাপক কারচুপি এবং অনিয়ম’ এর অভিযোগ তুলে সেই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে। ভেনিজুয়েলায় অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হলে, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি ট্রাম্প দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা জুয়ান গুইদোকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বতীকালীন প্রেসিডেন্ট স্বীকৃতি প্রদান করেন।

২০১৯ সালের ৩০ জুন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছেন; image source: Dong-A Ilbo/Getty Images

 

২০১৯ সালের ৩০ জুন প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করেন। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। একই বছরের ৬ অক্টোবর ট্রাম্প প্রশাসন সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। ২০১৯ সালের ১১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরানের আগ্রাসন রুখতে’ সৌদি আরবে আরও প্রায় ১,৮০০ মার্কিন সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। একই বছরের ২৬ অক্টোবর সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে মার্কিন অভিযানের সময় ‘ইসলামিক স্টেট’ (আইএস) নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি নিহত হন।

২০২০ সালের ৩রা জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের আইআরজিসি-র ‘কুদস ফোর্স’ এর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও অবনতি হয়। একই বছরের ২৮ জানুয়ারি হোয়াইট হাউজে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা’ ঘোষণা করেন। এই ‘তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা’ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করে। ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অভিশংসন প্রক্রিয়া চলাকালে ক্ষমতা অপব্যবহার সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটে ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অব্যাহতি অর্জন পান।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল এর সাথে বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ’ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয়; image source: Saul Loeb/AFP/Getty Images

 

২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের দোহায় আফগানিস্তানের তালিবান প্রতিনিধি দলের প্রধান মোল্লা আবদুল গণি বারাদার এবং আফগানিস্তান সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জালমাই খালিলজাদ এক সমোঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তিতে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি সংযুক্ত ছিল। ২০২০ সালের ১৩ মার্চ ট্রাম্প করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। একই বছরের ৬ জুলাই ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ (ডব্লিউএইচও) থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সাথে বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ’ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়াও ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একই বছরের ২৩ অক্টোবর সুদান এবং ১০ ডিসেম্বর মরক্কো ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক ‘স্বাভাবিকীকরণ’ এর ঘোষণা দিয়েছে।

২০২০ সালের ৩রা নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের নিকট রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পরাজিত হন। তবে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ট্রাম্প পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। নির্বাচনে বাইডেনের বিজয়ের প্রত্যয়ন করতে আইনসভা কংগ্রেস এর দুইকক্ষের যৌথ অধিবেশন চলাকালে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উসকানিতে তার উগ্র সমর্থকেরা কংগ্রেস ভবন ‘ক্যাপিটল হিল’ এ ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছিল। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনাকে মার্কিন গণতন্ত্রের উপর বড় আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। অবশেষে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে আলোচিত–সমালোচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি এবং চার বছরের শাসনের ইতি ঘটে।

Related Articles