Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The company has transitioned to a content production studio, offering creative solutions for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Roar Media website, click here.

ধ্রুপদী লড়াইয়ের অপেক্ষা মৌসুমের শেষ ‘এল ক্ল্যাসিকো’তে

এল ক্ল্যাসিকোকে ধরা হয় ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়বস্তু। দর্শকরা পুরো মৌসুম অপেক্ষা করেন, কবে তাদের এই কাঙ্ক্ষিত এল ক্ল্যাসিকো আসবে। দর্শকদের অপেক্ষার পালা শেষ করে আজ রাত ১টায় রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ আলফ্রেড ডি স্টেফানো স্টেডিয়ামে মৌসুমের শেষ এল ক্ল্যাসিকোতে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। 

মৌসুমের শুরুতে কে ভেবেছিল যে এবারের লা লিগা এত জমজমাট হবে? রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার একচ্ছত্র আধিপত্যে ভাগ বসাতে চাইবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, এমনকি মৌসুমের শেষ এল ক্ল্যাসিকোও শিরোপা জয়ের নিশ্চয়তা দেবে না? দুই ঘোড়ার দৌড় এবার হয়ে গিয়েছে তিন ঘোড়ার দৌড়। অন্যান্য টপ লিগগুলোতে ইতঃমধ্যে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে সম্ভাব্য বিজয়ীর নাম। ইংলিশ লিগে ম্যানচেস্টার সিটি, বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ, বা সিরি-আ’তে ইন্টার মিলান জয়ের বন্দরে প্রায় পৌঁছেই গিয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে স্প্যানিশ লা লিগায় এখনো চলছে জমজমাট লড়াই। ২৯ ম্যাচ শেষে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ১ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে থাকা বার্সেলোনা। আবার সমান ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে ৩ রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।

এই মৌসুমে লা লিগা টেবিলের অবস্থা; Image Credit: Sofascore

চারে থাকা সেভিয়ার সাথে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পরাজয় এল ক্ল্যাসিকোকে আরো জমিয়ে তুলেছে। এখন তারা আর একটি ম্যাচে হোঁচট খেলেই রিয়াল বা বার্সার সামনে সুযোগ থাকবে পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে উঠে আসার। কিন্তু এজন্য আগে ক্ল্যাসিকো জিততে হবে। রিয়াল জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে অ্যাটলেটিকোর সমান, বার্সাকে নেমে যেতে হবে তিনে। আবার বার্সা জিতলে তারা দুই পয়েন্ট এগিয়ে যাবে অ্যাটলেটিকো থেকে, যদিও অ্যাটলেটিকোর হাতে একটি ম্যাচ থাকবে। তো দুটো দলই চাইবে ম্যাচটিতে তাদের সেরাটা দিয়ে ফলাফল নিজের পক্ষে আনতে।

এই মৌসুমের শুরু থেকেই রিয়ালের স্কোয়াডে কিছু সমস্যা থাকলেও আস্তে আস্তে তারা সেগুলো কাটিয়ে উঠছে। গত কয়েক মাসে লিগে তাদের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ, গত জানুয়ারি থেকে তারা লিগে অপরাজিত রয়েছে। তাদের সর্বশেষ দশ ম্যাচে এসেছে সাত জয় ও তিন ড্র। এতে গত বছরের শেষে লিগ টেবিলে উপরের দিকে থাকতে না পারলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা আবার উঠে এসেছে শিরোপার দৌঁড়ে। তাদের সর্বশেষ ম্যাচে করিম বেনজেমা ও মার্কো অ্যাসেন্সিওর গোলে তারা ২-০ ব্যবধানে হারায় এইবারকে। এরপরই চ্যাম্পিয়নস লিগে তারা নিজেদের মাঠে লিভারপুলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে ইতঃমধ্যেই এক পা দিয়ে রেখেছে। আপাতদৃষ্টিতে ঘরের মাঠের পারফরম্যান্স ভাল দেখালেও এই সিজনে লিগের ৪ হারের ৩টিই এসেছে এখানে।

এই ম্যাচে মাদ্রিদ পাচ্ছে না তাদের প্রধান দুই সেন্টারব্যাককে। ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন রামোস ও ভারানে। কার্ভাহালের খেলা নিয়েও রয়েছে সংশয়। কিন্তু তাদের বাকি খেলোয়াড়দের সবাই আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। ভিনিসিয়াস জুনিয়র লিভারপুলের সাথে করেছেন জোড়া গোল, অ্যাসেন্সিও টানা পাচ্ছেন গোলের দেখা, বেনজেমা এই মৌসুমে লা লিগায় ১৮টি গোলের পাশাপাশি সব মিলিয়ে করেছেন ২৪টি গোল। এই ক্ল্যাসিকোতে জয় তাদের শিরোপার পথে এগিয়ে দিতে পারে বেশ কিছুটা, কারণ তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলো গেটাফে, কাদিজ, রিয়াল বেটিস এবং টেবিলের নিচের সারির কিছু ক্লাবদের সাথে।

ইনজুরির জন্য এই মৌসুমে ১৪টি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন হ্যাজার্ড, যার বেশিরভাগই বেঞ্চ থেকে; Image Credit: Getty Images

 

অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে হেরে শেষ ষোল থেকে বিদায় নেওয়া বার্সার সুযোগ আছে তাদের সমস্ত রিসোর্স লিগে ঢেলে ব্যবহার করার। ২০২১ সালে এসে বার্সেলোনা এখনো কোনো লিগ ম্যাচ হারেনি। লিগে তাদের শেষ ম্যাচে একদম ম্যাচের শেষের দিকে উসমান দেম্বেলের করা একমাত্র গোলে তারা হারায় রিয়াল ভায়াদোলিদকে। এই ম্যাচ জিতলে তারা এগিয়ে যাবে তিনে থাকা রিয়ালের চেয়ে ৫ পয়েন্টে। শুধু অ্যাটলেটিকো পয়েন্ট হারালেই তাদের লিগ জয়ের রাস্তা পরিস্কার হবে। গত ডিসেম্বরে কাদিজের কাছে হারটাই ছিল লিগে তাদের শেষ হার, এরপর টানা ১৯ ম্যাচ তারা অপরাজিত। আর সর্বশেষ ৬ ম্যাচেই তারা ছিল বিজয়ী।

তবে বার্সেলোনায় কিছু অভ্যন্তরীণ সমস্যাও চলমান। ক্লাবে নতুন প্রেসিডেন্ট আসলেও এখনো লিওনেল মেসিকে নতুন চুক্তিতে আনা যায়নি। এই মৌসুমে সব মিলিয়ে ২৯ গোল ও ১৩ অ্যাসিস্ট করা মেসি বলতে গেলে বার্সাকে বেশিরভাগ সময় টেনেছিলেন একা হাতে।

এল ক্ল্যাসিকোর অলটাইম টপ স্কোরার; Image Credit: Scroll

 

আবার এই ম্যাচ হারলেই যে তারা লিগ জয়ের দৌড় থেকে পুরোপুরি ছিটকে যাবে, তা নয়। এরপর তাদের হাতে থাকবে আরো ৮টি ম্যাচ। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে তাদের মানসিকভাবে ভেঙে উল্টো নিজেদের উজ্জীবিত করার একটা মোক্ষম সুযোগ এটি।

এদিক দিয়ে রিয়াল কিছুটা উজ্জীবিত থাকবেই, কারণ সর্বশেষ দুই দেখায় তাদের কাছে পাত্তাই পায়নি বার্সেলোনা। লা লিগার হেড টু হেডেও ৭৪-৭২ ব্যবধানে এগিয়ে আছে রিয়াল। সব মিলিয়ে ২৪৫ বারের দেখায় ৯৭ বারই জয় পেয়েছে রিয়াল, আর ৯৬ বার বার্সেলোনা। দুই দলের দ্বৈরথে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টা মাদ্রিদের। ১৯৪৩ সালে ১১-১ গোলে তারা হারায় বার্সাকে। আর বার্সার দিক দিয়ে ১৯৫০ সালে তারা ৭-২ গোলে হারায় রিয়ালকে।

২৬ গোল করে এল ক্ল্যাসিকোর ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোরার হয়ে আছেন লিওনেল মেসি। তার নিচে ১৮ গোল করে যৌথভাবে দুইয়ে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও আলফ্রেড ডি স্টেফানো। এ পর্যন্ত মাত্র ৫ জন ফুটবলার এক ক্ল্যাসিকোতে হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন ― জাইমে ল্যাজকানো, স্যান্টিয়াগো বার্নাব্যু, পাউলিনহো, ফেরেঙ্ক পুসকাস ও লিওনেল মেসি।

দুই দলের হেড-টু-হেড পরিসংখ্যান; Image Credit; Soccerway

মাদ্রিদ শিবিরে ইনজুরি হানা দিয়ে নিয়ে নিয়েছে রামোস, ভারানে, কার্ভাহাল ও হ্যাজার্ডকে। হাজার্ড দলে এসেছিলেন অনেক প্রতিশ্রুতি নিয়ে, কিন্তু ইনজুরির জন্য তার অনেকটাই আমরা এখনো রিয়ালে দেখতে পারিনি। রামোস-ভারানে না থাকলে জিদান খেলান নাচো ফার্নান্দেজ ও এডার মিলিতাওকে। তাদের দুই পাশে খেলেন মেন্ডি ও প্রচণ্ড ফিজিক্যাল খেলোয়াড় লুকাস ভাস্কেজ। ৪-৩-৩ ফরমেশনে মিডফিল্ডের ৩ জন ‘অটোচয়েস’ ক্রুস-মদ্রিচ-ক্যাসেমিরোর পারস্পরিক বোঝাপড়া মাঠের যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। ক্যাসেমিরো ডেস্ট্রয়ার রোলে, ক্রুস বল ক্যারিয়ার, আর মদ্রিচ ফাইনাল থার্ডে বল সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। ক্রুস আর মদ্রিচের রোল প্রায় একই রকম থাকে মাঠে, মাঝমাঠের সুতো ধরে রাখেন তারাই। একদম সামনে থাকা ৩ জন হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, করিম বেনজেমা ও মার্কো অ্যাসেন্সিও। ভিনি এবং অ্যাসেন্সিও দুইজনই প্রচণ্ড গতিসম্পন্ন, আর মিডফিল্ডের সাথে লিংক তৈরি করেন বেনজেমা। ফিজিক্যালি স্ট্রং বেনজেমা একই সাথে স্পেস তৈরি করেন, ডিফেন্ডারকে ড্র্যাগ করে অন্যদের যাওয়ার জায়গা বানিয়ে দেন, নিজে সুযোগ পেলে গোল করেন, আবার গোল তৈরিও করে দেন। এই মৌসুমে মাদ্রিদের অ্যাটাক প্রায় পুরোটাই সামলেছেন তিনি। তার বানানো সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন দুই স্পিডস্টার ভিনিসিয়াস ও অ্যাসেন্সিও।

ইনজুরির জন্য বেশ কয়েক মাসের জন্য মাঠের বাইরে আছেন কৌতিনহো এবং আনসু ফাতি। ইনজুরির জন্য পিকে ও আরাউহো বাদ পড়ার পর বার্সেলোনা তাদের তিনজনের ডিফেন্স লাইন ব্যবহার শুরু করে; ৪-৩-৩ বাদ দিয়ে তারা চলে আসে ৫-২-৩ ফরমেশন। সেখানে সিবি তিনজন থাকেন অস্কার মিনগুয়েজা, ডি ইয়ং ও লেংলে। লেংলে তুলনামূলক একটু বেশি ভুলপ্রবণ, ফলে তার এবং আলবার ভুলে গোল খাওয়ার পরই ডিফেন্সে সাপোর্টের জন্য ডি ইয়ংকে ডিফেন্সে খেলান কোম্যান। ডি ইয়ং নিচে সাপোর্ট দেওয়ায় বুসকেটসকে এখন আর আগের মত নিচে নেমে বল নিয়ে উপরে উঠতে হয় না। ইয়ংই সেটি মিডফিল্ডে এনে দেন। বুসকেটস তার সাথে পার্টনার হিসেবে পান এই মৌসুমে ঝলক দেখানো তরুন পেদ্রিকে। একদম সামনে ৩ জন খেলেন মেসি, দেম্বেলে ও গ্রিজমান। মেসি-কেন্দ্রিক দল সাজানোয় তিনিই থাকেন টার্গেট ম্যান। গ্রিজমানকে বামে এবং মেসিকে কেন্দ্রে রেখে দেম্বেলে থাকেন ডানপাশে। ম্যাচের মধ্যে তারা প্রায়ই তাদের জায়গা অদল-বদল করে ফেলেন, আর তাতে করে বিপক্ষ দলের ডিফেন্ডাররাও বিভ্রান্তিতে পড়ে যায়। 

এই মৌসুমে লিগে দুই দলের পারফরম্যান্স; Image Credit: Skysports

এল ক্ল্যাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের জন্য মূল থ্রেট থাকবেন মেসিই। গত কয়েক বছর ধরেই আমরা দেখছি মেসিকে সামলানোর দায়িত্ব অর্পণ করা হচ্ছে ক্যাসেমিরোর কাছে। এতদিন ধরে ক্যাসেমিরো খুব সফলতার সাথেই সেটা করে চলেছেন। তাই মেসিকে নিজের পারফরম্যান্স ঠিক রাখতে ক্যাসেমিরোকে পিছনে ফেলতেই হবে।

তবে মেসিকে মার্ক করতে গেলে তিনি তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারবেন না, যেখানে তিনি ডিফেন্স লাইনের সামনে অনেকটা শিল্ড হয়ে কাজ করেন। রিয়ালের অ্যাটাকের সময় প্রতিপক্ষের বক্সে তাদের ফিজিক্যালিটি একটি ভাল ফ্যাক্টর। বেনজেমা ছাড়াও তাতে থাকেন ক্যাসেমিরো। এতে উইংয়ে থাকা খেলোয়াড়রা ভালো স্পেস খুঁজে নিতে পারেন। ক্রুস আর মদ্রিচের সাথে স্থান অদল-বদল করে টিমের শেপ ঠিক রেখেই খেলতে চাইবে তারা। ডিফেন্সে অভিজ্ঞ সেন্টারব্যাক না থাকায় ক্যাসেমিরো নিজের জায়গা ছেড়ে তাই মেসিকে মার্ক করতে না-ও উঠতে পারেন। 

অন্যদিকে রিয়ালের দুই প্রধান সিবির অনুপস্থিতিকে কাজে লাগাতে পারে বার্সেলোনা। যদি ক্যাসেমিরো মেসিকে মার্ক করতে জায়গা ছেড়ে আসেন, তবে সেখানে অন্য প্লেয়ারের জন্য খুব ভাল স্পেস তৈরি হবে। ক্যাসেমিরোর সাহায্য ছাড়া বার্সার হাই-প্রেসিং সামলানো কঠিনই হবে মদ্রিচ-ক্রুসের জন্য। মেসি জোন ১৪-এর আশেপাশেই থেকে পুরো খেলাটা কন্ট্রোল করতে চাইবেন। উপরে থাকাতে মেসিকে মার্ক করতে ক্যাসেমিরোও অ্যাটাকে উপরে উঠতে পারবে না, পাছে মেসি কাউন্টার অ্যাটাকে চলে যান। এতে করে অ্যাটাকে একজন খেলোয়াড় কম হয়ে যাবে মাদ্রিদের জন্য। 

Image Credit: Getty Images

 

আরেকটি লড়াই পাশাপাশি চলছে ‘পিচিচি ট্রফি’র জন্য মুখিয়ে থাকা বেনজেমা ও মেসির মধ্যে, যথাক্রমে ১৮ ও ২৩ গোল করে এই মৌসুমে পিচিচি জেতার লড়াইয়ে আছেন দু’জনই। কিন্তু এল ক্ল্যাসিকোর টপ স্কোরার মেসি ২০১৭-১৮ মৌসুমের পর আর এল ক্ল্যাসিকোতে গোল পাননি। উপরন্তু, টানা ২ এল ক্ল্যাসিকোতে হার। তাই মেসি নিঃসন্দেহেই মুখিয়ে থাকবেন এই ম্যাচে যেকোনো মূল্যে গোলের দেখা পেতে।

বেনজেমার অবস্থাও প্রায় কাছাকাছি, সেই ২০১৭ সালের আগস্টে সর্বশেষ গোল করেছিলেন বার্সেলোনার বিপক্ষে। এরপর লা লিগায় টানা ১০ এল-ক্ল্যাসিকো ধরেই তার গোলখরা চলছে বার্সার বিপক্ষে। তবে এই মৌসুমের পারফরম্যান্সের আত্মবিশ্বাস থেকেই হয়তো এবার গোলখরা কাটাতে চাইবেন এই ফরাসি স্ট্রাইকারও।

তবে মাঠে বেনজেমার চাইতে মেসির কাজই বেশি থাকবে।  দলের গোল করা এবং করানো ― দুই দায়িত্বই পালন করা লাগবে তার। যদি নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর না করেন, তবে এটিই হতে পারে তার শেষ এল ক্ল্যাসিকো।

দুই দলের যত সমস্যাই থাকুক না কেন, এই এল ক্ল্যাসিকো ম্যাচের আগে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে দুই দলই। প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেই একটি বড় আবেগ কাজ করে এই ম্যাচের জন্য। মর্যাদার এই লড়াইয়ে তাই হেরে যেতে চাইবে না কোনো দলই। তবে শুধু খেলোয়াড় নয়, দুই দলের লক্ষ-কোটি সমর্থকেরাও আশায় বুক বাঁধেন এই ম্যাচটি নিয়ে। কাতালুনিয়াবাসী বার্সেলোনা ফ্যানরা তো এই ম্যাচ জয়কে তাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকেই সফলতার আরেক ধাপ হিসেবে দেখেন। দুই দলের সমর্থকেরাই তাকিয়ে থাকবে তাদের খেলোয়াড়দের দিকে। শেষ হাসি কারা হাসবে, তা সময়ই বলে দেবে।

Related Articles