এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্সি: ইউরোপের ভার্চুয়াল দুয়ার

কারিগরী থেকে রাজনীতি কিংবা ব্যবসা বাণিজ্য, সব কিছুই এখন একটা পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, আজকে এই মতবাদ তো কালকে আরেকটা। নতুন একটা কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই আরেকটা নতুন ধারণা এসে হাজির, প্রায় সময়ই প্রথমে যে প্রশ্নটা জাগে তা হলো ‘এ আবার কি জিনিস?’, e-residency  এর কথা শুনেও এই প্রশ্নই মাথায় আসা স্বাভাবিক। বছর তিরিশ চল্লিশ আগে যখন কাগুজে চিঠি বদলে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারবার্তা বা ‘ই-মেইল’ এ পরিণত হলো, তখন থেকেই ধীরে ধীরে সব কিছুই এখন ‘ইলেক্ট্রনিক’ হওয়া শুরু করেছে। তো এই ই-রেসিডেন্সি ব্যাপারটাও অনেকটা সেরকমই।

জটিল তত্ত্ব কথায় না গিয়ে সরল ভাষায় জিনিসটা বোঝা যাক, এস্তোনিয়ার এই ই-রেসিডেন্সি হলো এক ধরনের ডিজিটাল নাগরিকত্ব। দুনিয়ার যেকোনো জায়গা থেকে আপনি ১০০ ইউরো ফি প্রদানের বিনিময়ে Sign Up করে একটা একাউন্ট খুলতে পারবেন, এস্তোনিয়া সরকার আপনাকে একটা ‘স্মার্ট আইডি কার্ড’ দেবে যেটার মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যেকোনো দেশে বসবাস করেও এস্তোনিয়ার ‘ডিজিটাল নাগরিকত্ব’ পাবেন।

এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্সির স্মার্ট কার্ড; Source: leapin

এই কার্ড দিয়ে কী হবে? এই কার্ড আপনার ডিজিটাল নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র। এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো দেশে বসবাস করে এস্তোনিয়াতে ব্যবসা করতে পারবেন, দরকারি কাগজপত্রের কাজ সারতে পারবেন এবং নিরাপদ আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা এস্তোনিয়াতে একটা ‘স্টার্ট আপ’ অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে চান যেটা কিনা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সব দেশে তার সেবা বা সার্ভিস দিতে পারবে। এই ডিজিটাল নাগরিকত্বের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে বসেই অনলাইনেই এস্তোনিয়াতে কোম্পানি খুলে ফেলতে পারবেন কোন কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই, সশরীরে না থেকেও।

নিঃসন্দেহে দারুন একটা ব্যাপার, যে কারণে এটাকে বলা হচ্ছে একুশ শতকের সবচেয়ে বৈচিত্রময় সরকারি পদক্ষেপ হিসেবে। কিন্তু এটা কি সবার জন্য? না, আসলে এই উদ্যোগ কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের মানুষদেরকে লক্ষ্য করে নেয়া। মূলত ‘Location independent entrepreneur’ অর্থাৎ যেসব উদ্যোক্তারা কোনো স্থান কেন্দ্রিক ব্যবসা করেন না  বা সশরীরে কোনো স্থানে থাকার দরকার পড়ে না তাদের জন্যে। যেমন ফ্রিল্যান্সার, সফটওয়্যার ডেভেলপার, লেখক, বিভিন্ন পরামর্শক ইত্যাদি। এ জাতীয় পেশাদাররা যেকোনো জায়গায় থেকেই বা ঘরে বসেই তাদের কাজ করতে পারেন। একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার নিজ দেশে ঘরে বসে কাজ করে আরেক দেশের ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারেন, একজন লেখক যেকোনো দেশে বসে তার লেখা আরেক দেশের পত্রপত্রিকায় পাঠাতে পারেন।

ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ বা আর্থিক লেনদেন, যেকোনো কাজেই স্মার্ট কার্ড সংযুক্ত করে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়; Source: medium.com

বাস্তব উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার হবে। আর্জু আল্টাইনি, একজন তুর্কী পেশাদার পর্যটন গাইড। ২০১৫ সালের দিকে তার বেশ ভাল পর্যটন গাইডের ব্যবসা ছিলো, কিন্তু তুরষ্কের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে একপর্যায়ে তার ব্যবসা লাটে ওঠে। তার উপর ‘পে পাল’ তুরষ্কে তাদের সার্ভিস বন্ধ করে দিলে আর্জুর ব্যবসা পুরো বন্ধ হয়ে যায়, কারণ বিদেশি পর্যটকরাই ছিলো তার গ্রাহক, তার ওয়েবসাইটে বিদেশি পর্যটকরা পে পালের মাধ্যমে আগে অর্থ পরিশোধ করে তাকে গাইড হিসেবে ভাড়া করত।

এমন সময় আর্জুর এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্সির বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। যাতে লেখা ছিলো

“আপনি কি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান? আপনার ব্যবসাটি কি অনলাইন ভিত্তিক? আপনি কি ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন’ ভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সারা বিশ্বে ব্যবসা চালাতে চান? আপনি কি আন্তর্জাতিকভাবে আর্থিক লেনদেন করতে চান? ”

আর্জুর প্রতিক্রিয়া ছিলো, “হ্যাঁ! হ্যাঁ! অবশ্যই!”। এরপর আর্জু আবেদন করে এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্ট হলেন। এরপর অনলাইনে এস্তোনিয়ায় একটা পর্যটন গাইড সেবা দেয়ার প্রতিষ্ঠান খুললেন এবং সাথে সাথে পর্যটন গাইড হিসেবে লাইসেন্সও পেয়ে গেলেন (যেটা ইউরোপের অন্য কোনো দেশে পাওয়া খুবই কঠিন)। একটা এস্তোনিয়ান ব্যাংকে একাউন্টও খোলা হল, যেখানে তার উপার্জিত টাকা জমা হবে। তুরষ্কের মাটিতে বসে এস্তোনিয়ায় কোম্পানি খোলা, লাইসেন্স পাওয়া আর ব্যাংক একাউন্ট খোলা পুরোটাই হয়েছে কম্পিউটারে কয়েকটা ‘ক্লিক’ করেই। আর্জুর ভাষায়,

“পুরোটাই ছিলো আমার জন্যে বৈপ্লবিক ব্যপার, কারণ আমি এমন একটা দেশে থাকি যেখানে Pay Pal এর অস্তিত্বই নেই।”

নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগছে ব্যবসাটা কিভাবে চলে, বিজনেস মডেলটা কি? আর্জুর ‘ওয়াক ইন ইউরোপ’ নামক এই প্রতিষ্ঠান এস্তোনিয়ার নথিভুক্ত কোম্পানি, এস্তোনিয়া যেহেতু ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশ, তাই এই প্রতিষ্ঠান সারা ইউরোপে সেবা দিতে পারে। এই ভার্চুয়াল প্রতিষ্ঠানের সাথে ইউরোপের বিভিন্ন শহরের পর্যটন গাইডরা যুক্ত। ধরা যাক, একজন পর্যটক রোমে ঘোরার জন্যে গাইড চান, তিনি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রোম শহর ঘুরিয়ে দেখানোর জন্যে গাইড চেয়ে আবেদন করলেন। আর্জু তার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই রোমে তার কোম্পানির নথিভুক্ত গাইডের সাথে পর্যটকের যোগাযোগ ঘটিয়ে দেন। পর্যটক আগেই ওয়েবসাইটে অর্থ পরিশোধ করে দেন, সেখান থেকে ২০% কমিশন নিজে রেখে বাকিটা সংশ্লিষ্ট গাইডের অ্যাকাউন্টে চলে যায় (আর্জুর ব্যবসার মডেলটা অনেকটা উবারের মতোই)।

আর্জু (ব্যাগ ঘাড়ে) তুরষ্কে গাইডের কাজ করার পাশাপাশি পুরো ইউরোপজুড়ে রয়েছে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক, ই-রেসিডেন্সি তাকে এই সুযোগ করে দিয়েছে; Source: medium.com

আর্জু আল্টাইনি তুরষ্কে বসে এই ব্যবসা চালান, যদিও কোম্পানিটি একটা এস্তোনিয়ান কোম্পানি। তিনি ঘরে বসেই এস্তোনিয়ান সরকারকে ট্যাক্স দেন, পুরো ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার কোম্পানির সহযোগী গাইডদের অর্থের ভাগ পরিশোধ করেন। এসব যাবতীয় লেনদেনে তাকে কোনো বাড়তি ফি, কর্পোরেট ট্যাক্স ইত্যাদি কিছুই দিতে হয় না। এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্সি তাকে আক্ষরিক অর্থেই সীমান্ত বিহীন এক ডিজিটাল নাগরিকে পরিণত করেছে।

পেছনের কথা

অগ্রসর ও উন্নত রাষ্ট্র এস্তোনিয়া বরাবরই প্রযুক্তিতে এগিয়ে। বিশ্বের যোগাযোগ প্রযুক্তিকে বদলে দেয়া স্কাইপ ছিলো এই এস্তোনিয়ারই একটা প্রতিষ্ঠান। বিশ্লেষকদের ধারণা ঠিক তেমনই আরেক যুগান্তকারী ঘটনা এই কার্যক্রমটি। ২০১৪ সালে ১লা ডিসেম্বর এই কার্যক্রম শুরু হয়। ব্রিটিশ সাংবাদিক এডওয়ার্ড লুকাস হচ্ছেন এস্তোনিয়ার প্রথম ই-রেসিডেন্ট।

ব্রিটিশ সাংবাদিক এডওয়ার্ড লুকাস হচ্ছেন এস্তোনিয়ার প্রথম ই-রেসিডেন্ট; Source: delfie

ই-রেসিডেন্সির মূল ব্যাপারটা ছিলো নতুন Location independent উদ্যোক্তাদেরকে একটা প্লাটফর্ম বা জায়গা দেয়া। যারা বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে এস্তোনিয়াতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরী করবে, এবং এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতর ব্যবসা করতে পারবে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় (ব্রেক্সিট) তরুণ উদ্যোক্তারা পড়েন বিপদে। ফলে কিভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থেকে ব্যবসা করা যায় এই চিন্তায় যখন তাদের মাথা খারাপ অবস্থা, তখনই এস্তোনিয়ার সরকার এই কর্মসূচী চালু করেছিলো। এই সুযোগ গ্রহণ করে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে হাজার হাজার নতুন উদ্যোক্তা

তো একজন ই-রেসিডেন্ট হিসেবে আপনি যা যা করতে পারবেন তার একটা পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখা যাক:

  • একটা অনলাইন প্রতিষ্ঠান তৈরী ও চালানো, যেটা একটা এস্তোনিয়ান প্রতিষ্ঠান হিসেবে সারা বিশ্বে ব্যবসা করতে পারবে
  • অনলাইনে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ
  • আন্তর্জাতিকভাবে আর্থিক লেনদেনের সুযোগ
  • নিজ প্রতিষ্ঠানের ভেতর কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে কাগজপত্র বা দলিলাদির কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করার সুযোগ
  • কাগজপত্র Encrypt করে সুরক্ষিতভাবে আদান প্রদানের সুযোগ
  • অনলাইনে ট্যাক্স প্রদানের সুযোগ

যেভাবে ই-রেসিডেন্ট হবেন

শুরুতে এস্তোনিয়ান ই-রেসিডেন্সির ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্ম পূরণের সময় নামধামের সাথে সাথে আপনার ছবি আপলোড করতে হবে, কি উদ্দেশ্যে আবেদন করছেন সেটাও উল্লেখ করতে হবে। এরপর ১০০ ইউরো ফি প্রদান করার পর আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আইডি কার্ড আপনি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ৩৮টি এস্তোনিয়ান দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন, ফর্ম পূরণের সময় আপনাকে উল্লেখ করে দিতে হবে কোন জায়গা থেকে আপনি কার্ডটি গ্রহণ করতে চান। যেমন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী সংগ্রহের স্থান হলো নয়া দিল্লী এস্তোনিয়া দূতাবাস, ফর্ম পূরণের সময় নয়া দিল্লী দূতাবাস থেকে কার্ড গ্রহণ করতে চান সেটা উল্লেখ করতে হবে।

সারা বিশ্বে ছড়ানো ৩৮টি দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করা যায় ই-রেসিডেন্সি কার্ড; Source: e-estonia.com

সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়ে কার্ড হাতে পেতে। সশরীরে কার্ড সংগ্রহ করতে গেলে ঐ সময় আপনাকে আপনার নিজ দেশের নাগরিকত্বের প্রমাণ স্বরূপ পাসপোর্ট দেখাতে হবে এবং ডাটাবেজে আপনার আঙ্গুলের ছাপ প্রদান করতে হবে। এরপর আপনাকে একটা খাম দেয়া হবে যার ভেতর থাকবে আপনার ই-রেসিডেন্সি কার্ড, একটা কার্ড রিডার আর কিছু কাগজপত্র। কার্ড হাতে পাওয়া মাত্রই আপনি একজন এস্তোনিয়ার ডিজিটাল নাগরিক !

আবেদন প্রক্রিয়া শেষে আপনার হাতে চলে আসবে আইডি কার্ড, ই-এস্তোনিয়ায় প্রবেশের চাবি; Source: Leapin

শেষের কথা

এখন ব্যাপার হচ্ছে সব কিছু জেনে এখনি ই-রেসিডেন্ট হওয়ার জন্যে ব্যতিব্যস্ত হবেন না, আগে আপনাকে নিজে পর্যাপ্ত ঘাঁটাঘাটি করে বুঝে নিতে হবে আপনার আদেও এই কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আপনার কোনো লাভ আছে কিনা, যেমনটা আগেই বলা হয়েছে এটি Location Independent উদ্যোক্তাদের জন্যে। তাই না বুঝে এতে অংশ নিয়ে আদৌ কোনো লাভ নেই, বরং অযথাই আপনার পকেট থেকে ১০০ ইউরো খরচ হয়ে যাবে, এই আর কি!

মাইকেল এম. রিচার্ডসন ই-রেসিডেন্সি ব্যবহার করে এস্তোনিয়ায় প্রতিষ্ঠা করেছেন E-Drive Retro নামে একটা সংস্থা, এরা ইউরোপজুড়ে পুরনো গাড়ির ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ইলেকট্রিক ইঞ্জিন সংযুক্ত করেন, যদিও তিনি নিজে বসবাস করেন যুক্তরাষ্ট্রে; Source: dw.com

২০১৪ সালে নতুন ধারণা থেকে উদ্ভূত এই কার্যক্রম শুরু হলে অনেকেই উত্তেজনার বশে ই-রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, কিন্তু যেহেতু তাদের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিলো না, তাই এই ই-রেসিডেন্সি সেসব লোকের কোনো কাজে আসেনি। আরেকটা ব্যাপার জেনে রাখা জরুরি। পাসপোর্ট বাদে এই ই-রেসিডেন্সি কার্ড দিয়ে কোনভাবেই এস্তোনিয়ায় ঢোকা যায় না এবং আসল নাগরিকত্ব পাওয়ার সাথেও এর কোনো সম্পর্ক নেই।

পুরো জিনিস ভালোভাবে বুঝতে আপনি যেটা করতে পারেন, যেসব উদ্যোক্তা এই কার্যক্রম  থেকে লাভবান হয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতাগুলো ভালোভাবে পড়া, তারা কিভাবে এগিয়েছেন, কিভাবে ই-রেসিডেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নতুন সুযোগ তৈরী করে নিয়েছেন তা জানা। এভাবে আপনিও আপনার নিজের ব্যবসা পরিকল্পনা বা কাজের সুযোগ উদ্ভাবন করে নিতে পারবেন। এজন্যে চাই প্রচুর ঘাঁটাঘাটি আর সঠিক পরিকল্পনা। তবে একটা কথা বলতেই হয়, সীমান্তবিহীন বাণিজ্যের যে যুগান্তকারী প্লাটফর্ম এস্তোনিয়া তৈরী করেছে, ভবিষ্যত ব্যবসা বাণিজ্যের গতি প্রকৃতি ও ধরণ এখান থেকে কিছুটা হলেও আন্দাজ করে নেয়া যায়।

ফিচার ছবি-singularityhub

Related Articles