স্ট্রাইকার ছাড়া পাসিং ফুটবল: স্প্যানিশ গৌরব নাকি চোখের বালি?

টিকিটাকা আর ফলস নাইনের আঁতুড়ঘর তো এই স্পেন আর কাতালুনিয়ার ঐ ক্লাবটি। তাই এরাও পাসিং ফুটবল ভুলতে পারে না। লোপেতেগি থেকে জাভি বা লুইস এনরিকে – সবার কথা ঘুরেফিরে একই। বল পায়ে রাখতে হবে আর দিতে হবে নিখুঁত পাস।

article

আই অ্যাম অ্যা ফিউজিটিভ ফ্রম অ্যা চেইন গ্যাং: ত্রিশের দশকের আমেরিকার সামাজিক দলিল

লেরয়ের এই সিনেমা মূলত চরিত্রনির্ভর ড্রামা। কিন্তু জেল ভেঙে পালানো, জেলের ভেতরের অবর্ণনীয় কঠিন অবস্থা, নির্দোষীর নির্দোষ প্রমাণের ব্যর্থতা ও সংগ্রাম- সবকিছুই এতে আছে, যা প্রিজন ফিল্ম জনরার উপাদান/অলংকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এসেছে। বলা যায়, জনরার অনেক রূপরেখাকেই বিস্ময়কর দক্ষতার সাথে ‘রূপরেখা’ হিসেবে প্রণয়ন করেছে এই সিনেমা।

article

নিনেভা: প্রাচীন অ্যাসিরীয় সভ্যতার রাজধানী

প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতায় মাথা উঁচু করে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা এক শহরের নাম নিনেভা। প্রাচীনত্বের মাপকাঠিতেও এটি ঠাঁই নিয়েছে প্রাচীন বিশ্বের গৌরবময় ইতিহাসে। প্রাচীন এই শহর ছিল আপার মেসোপটেমিয়ার টাইগ্রিস নদীর তীরে, যা আজকের দিনের ইরাকের দক্ষিণে মসুল শহরের কাছাকাছি। অ্যাসিরীয় সভ্যতায় বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু নিনেভা পরিচিত ছিল নিনুয়া নামেও। প্রাচুর্যে ভরপুর এবং সমৃদ্ধশালী এ শহরটি আয়তনেও ছিল বেশ বড়। কয়েকটি দশক ধরে বিশ্বের বৃহত্তম শহরের খ্যাতি নিজ ঝুলিতে পুরে রেখেছিল নিনেভা।

article

আজকের সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির সামনে ম্যারাডোনা কখনোই হাত দিয়ে গোল করে পার পেতেন না। ঐ গোল তো বাতিল করা হতোই, সাথে হাত দিয়ে গোল করার দোষে ম্যারাডোনা লাল কার্ডও পেতে পারতেন। সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচের ভাগ্যই পাল্টে যেত।

article

ফুটবল বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য সব কামব্যাকের গল্প

চোখের সামনে দেখছেন খেলায় পিছিয়ে থাকা দল জেতার জন্য মরিয়া হয়ে খেলছে, এবং একপর্যায়ে যদি দেখেন যে তারা আসলেই তা জিতে নিল তবে কেমন অনুভব করবেন? আসলে সেই রোমাঞ্চকর অনুভুতি খেলোয়াড় বলুন কি দর্শক, সবাইকেই ছুঁয়ে যায়।

article

ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরেভার – রাজাহীন এক রাজ্যের ঘুরে দাঁড়ানো

সমূহ সম্ভাবনা ছিল প্রথম মুভির আইকনিক, বিশ্ব সমাদৃত লিডকে ছাড়া পরবর্তী মুভি মুখ থুবড়ে পড়ার…

article

ট্যাঙ্গো থেকে জাবুলানি: বিশ্বকাপ ফুটবলের বিবর্তনের ইতিহাস

১৯৩০ সালের সেই ফাইনালে আর্জেন্টিনার সেই হারের পর আর দু’দেশীয় বল নিয়ে ঝগড়া লাগেনি বটে, কিন্তু ফিফার অফিসিয়াল ম্যাচ বল চালু করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৪০ বছর।

article

End of Articles

No More Articles to Load